Facebook Group Marketing || ফেইসবুক গ্রুপের মাধ্যমে কিভাবে সেল বাড়াবেন !!

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটিং প্লাটফরম হলো ফেইসবুক মার্কেটিং। আগের দিনে দেখা যেতো টিভি বা রেডিওতে এ্যাড দিতে কিন্তু বর্তমানে ফেইসবুকে ক্যাম্পেইন ছাড়াও নানা ভাবে মার্কেটিং করা হয়। আজকে আলোচনা করবো কিভাবে ফেইসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা ব্যাক্তিগত পণ্যের বিক্রি বা সেল বাড়াবেন। আমরা অনেকেই পেজের মাধ্যমে সেল করি তবে পেজের মাধ্যমে সেল করলে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় অনেক সময় ‍বুস্ট করতে হয় আর পেজের আবার আলাদা করে মার্কেটিং করতে হয়। তাই আপনি যে কোন গ্রুপকে কাজে লাগিয়েই বা বর্তমানে জনপ্রিয় কিছু গ্রুপকে কাজে লাগিয়েই আপনি চাইলেই সুন্দর মার্কেটিং করে বিক্রি বাড়াতে পারেন। 





প্রথমে আমি আলোচনা করবো দুই ফেইসবুক গ্রুপের যেই দুইটা গ্রুপ বর্তমানে আমার জানা মতে সবচেয়ে বেশি মার্কেটিং বা সেল করার কাজে লাগে। 



(ক) Young Entrepreneurs “নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশন


এই গ্রুপে পোস্ট করতে হলে আপনাকে ৯০ দিনের একটা কোর্স করতে হবে সেটাও আবার ফ্রিতেই করতে পারবেন। ইকবাল বাহার স্যার অনেক সুন্দর একটি প্লাটফরম তৈরি করেছেন। তিনি এই গ্রুপের মাধ্যমে ৬৫ জেলার মানুষকে বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে সুন্দর মত মনিটরিং করে বিক্রি করছেন। আপনি গ্রুপে জয়েন করার সাথে সাথেই বুঝতে পারবেন কিভাবে এই গ্রুপের কোর্স করে সেখানেই আপনি সেল করতে পারবেন আর গ্রুপের সকল মেম্বারই আপনার রেডি কাস্টোমার হিসেবে যুক্ত থাকবে। এখানে আপনি আপনার দেশের বাড়ি মানে গ্রামের বাড়ি যেসকল পণ্য হয় তা পোস্ট আকারে দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন। আর অনেক বেশি পরিমাণে একটিভ থাকতে হবে এখানে আপনি আপনার পণ্যটি যদি বিক্রি করতে চান। কারণ এই গ্রুপে অনেক বেশি মানুষ যদি না চেনে তাহলে আপনার পোস্টটি রিচ হবে না বেশি। তাই একটিভ থেকে অবশ্যই আপনি আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন বা বর্ণনা দিয়ে বিক্রি বাড়াতে পারেন। তবে গ্রুপের কিছু নিয়ম আছে যা আপনাকে পড়তে হবে আর কোর্স শেষ না হলে আপনি পোস্ট করতে পারবেন না মিনিমাম আপাকে অর্ধেক কোর্সটা করার পর সেল পোস্ট করার অনুমতি দেওয়া হবে। 



(খ) Women and e-Commerce forum ( WE )


প্রথম গ্রুপটাতে ছেলে-মেয়ে উভয়ই যুক্ত থেকে পোস্ট করার মাধ্যমে বা লাইভ ভিডিও তৈরি করে মার্কেটিং করতে পারবেন। আর এই গ্রুপটাও ঠিক একই তবে আগেরটার চাইতে বেশি সদস্যা আছে এই গ্রুপে। ১ মিলিয়নেরও বেশি সদস্য নিয়ে গঠিত এই গ্রুপ যার বেশিভাগ সদস্যাই মেয়ে বা নারী উদ্দোক্তা। এখানে আপনি কিছুদিন যুক্ত থাকলেই বুঝতে পারবেন কিভাবে পোস্ট করে নিজের পারসোনাল ব্রান্ডিং করতে হয় আর কিভাবে আপনার পণ্যের প্রচার করতে হয়। একবার আপনি এখনে পরিচিত হয়ে যেতে পারলে ফেইসবুকের আইডি দিয়ে গ্রুপকে কাজে লাগিয়েই আপনি লাখ লাখ রেডি নিয়মিত কাস্টোমার পেতে পারেন। তবে হ্যা গ্রুপে আপনার একটিভি থাকতে হবে তাছাড়া পোস্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন না। কারণ এত সদস্যা যার মধ্যে আপনার পোস্টকে রিচ করাতে হলে অনেক বেশি পরিমাণে একটিভ থাকতে হবে আপনাকে। 


উপরের দুইটা গ্রুপে আপনি ইচ্ছে করলে আপনার আইডিটিকে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করতে পারেন। এখন আসি কিভাবে পোস্ট করবেন আর কিভাবে গ্রুপকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার বিক্রি বাড়াবেন। আমি বেশ কয়েকটি উপায় বলবো যা মেনে চললে অবশ্যই আপনি পোস্ট করে বিক্রি বা আপনার পণ্যে পরিচিতি বাড়াতে পারেন। 



১. একটিভ থাকার মাধ্যমে


প্রথমেই আপনাকে গ্রুপে যুক্ত হয়ে বেশি একটিভ থাকতে হবে। আর একটিভ থাকার অন্যতম উপায় হলো পোস্টগুলো পড়ে আপনাকে গঠনমূলক কমেন্ট করতে হবে। কারণ কোন পোস্ট এ যদি আপনি কমেন্ট না করেন তবে আপনার একটিভি বোঝা যাবে না। তাই চেষ্টা করবেন প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ টি পোস্ট এ গঠনমূলক পোস্ট করার। আপনি সেলার বা বায়ার তা বোঝানোর দরকার নাই কারণ এখানে সবাই সেলার আবার সবাই বায়ার কারণ আপনার যদি কাপড় থাকে তাহলে আপনি কাপড় বিক্রি করবেন আর বাকিগুলো কিনবেন। তেমনি আরেকজনও তার নিজের জিনিস বিক্রি করে আরেকজনের কাছ থেকে তার প্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনবে। 



২. গ্রুপের নিয়ম মেনে পোস্ট করা


প্রত্যেকটি গ্রুপেই কিছু নিয়ম থাকে। যেমন উপরের ১ম গ্রুপে আপনি ৯০ দিনের কোর্সটি পুরো করতে হবে তারপরে সেল পোস্ট করতে পারবেন। আবার ২য় গ্রুপটিতে আপনি অনেক বেশি একটিভ থাকতে হবে। কারণ গ্রুপের মোডারেটর ও এডমিন আপনার আইডির ডিটেইল পায় আর তারা ফেইক মনে করলে তো পোস্ট এপ্রুপ করানোই কঠিন হবে। আবার অনেক গ্রুপে পণ্যে বেশি ছবি দিলে এপ্রুপ করে না রিজেক্ট করে দেয় তাই নিয়মগুলো মেনে পোস্ট করলে সেল হওয়ার সম্ভবনা অনেকটা বেশি থাকে। সব সময়ই চেষ্টা করবেন পণ্যের সঠিক বর্ননা দিয়ে গ্রুপের নিয়ম মেনে পোস্ট করা। প্রতিদিনই পোস্ট করতে হবে বিষটা এমন নয় যদি দেখেন একটা পোস্ট এ আপনার পরিচিতি বাড়ছে চেষ্টা করবেন দুইদিন পরে আবার পোস্ট করা এবং বিগত পোস্ট এর মত করেই সাজানো। আর যদি দেখেন ১ম পোস্ট রিচ কম তাহলে অনেক বেশি একটিভ থেকে তারপর কিছুদিন বা সপ্তাহে একটি পোস্ট করা আর পারসোনাল ব্রান্ডিং বেশি করে করা। 


৩. গ্রুপের এডমিন বা মোডারেটরদেরকে ফ্রেন্ডলিস্টে রাখার চেষ্টা করা


আপনি যেই গ্রুপে পোস্ট করবেন সেই গ্রুপের এডমিন বা মোটারেটর সংখ্যা যদি বেশি হয় তবে চেষ্টা করবেন ফ্রেন্ড লিস্টে রাখা। অনেক মোডারেটর আপনার আইডি যদি ভালো না হয় তবে একসেপ্ট নাও করতে পারে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আপনার নিজের আইডিটা সুন্দর করে সাজাতে হবে। আর তারপর চেষ্টা করতে হবে। এডমিন বা মোডারেটর এ্যাড না করতে পারলে সেই গ্রুপে একটিভ মেম্বার যারা নিয়মিত কমেন্ট ও পোস্ট করে বা গঠনমূলক কথাবার্তা বলে তাদেরকে এ্যাড করে রাখতে পারেন। তাতে আপনার পোস্ট রিচ করবে অনেক বেশি যদি পোস্ট করেন। 





৪. সঠিক পণ্য নির্বাচন করে পোস্ট করা


এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কোন ধরনের গ্রুপ তা জানতে হবে। যদি দেশী পণ্যের গ্রুপ হয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে দেশী পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। আর বিদেশী পণ্য হলে যদি পারেন তাহলে সেটা আর না হয় বিকল্প গ্রুপ খুজতে হবে। কারণ টার্গেট পণ্য ছাড়া আপনি কখনই ভালো করতে পারবেন না। ধরুন গ্রুপের বেশিভাগ মানুষ দেশী পণ্য এবং খাবারে পণ্য পছন্দ করে আর আপনি সেখানে সেই ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন অন্য পণ্য হয়তো সেরকম সেল নাও হতে পারে। আগে আপনাকে গ্রুপে কিছুদিন একটিভ থেকে দেখতে হবে তারপর আপনাকে সেই অনুসারে পণ্য নির্বাচন করে তারপর সেই পন্য নিয়ে কাজ করতে হবে। আসলে কোন কিছুই অনেক দ্রুত হয় না তাই ধৈর্য্য ধারণ করেই আপনাকে কাজ করতে হবে। 


৫. পণ্যের কিছু সুন্দর ছবি ও সম্ভব হলে নিজের ছবি দেওয়া 


গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে আগের দর্শনধারী তারপর গুনবিচারী। তাই আপনাকে আগে সুন্দর করে পণ্যটি নির্বাচন করে ছবি তুলতে হবে। যদি সম্ভব হয় ছবি কাস্টোমাইজ করতে হবে ভালো কোন ইডিটর দিয়ে। কারণ ছবিতে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করাতে পারলে আপানর পণ্যটির সেল অনেক বাড়বে। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন ভালো কোন মোবাইল দিয়ে ছবি উঠানোর পরে তা সুন্দর করে ইডিট করা বা সুন্দর করে আপনার কোন লগো থাকলে তা ব্যবহার করা। আর অণ্যদের পোস্ট দেখেও আপনি শিখতে পারেন তারা যেরকম ছবি ব্যবহার করে তা দেখে আপনিও সেরকম ছবি দিতে পারেন তাতে আপনার পোস্টটি রিচ হবে বেশি। কারণ সুন্দর করে পোস্ট করতে না পারলে বেশি রিচ আসবে না আর বেশি রিচ বা বেশি মানুষ দেখতে না পেলে তো ক্রেতাও পাবেন না। কারণ গ্রুপে তো শুধু আপনিই পোস্ট করেন না অনেকেই করে আর কোন সময় করলে রিচ বেশি আসে সেটা দেখে করতে পারেন তাতে আপনার জন্যই ভালো। 






৬. নিজের ওয়েব সাইট বা পেজের লিংক যদি দেওয়া যায় তবে দেওয়া 


অবশ্যই বিজনেস করার মানসিকতা থাকতে কারণ আপনি যখন বিজনেস করার মানসিকতা রাখবেন তখন কিছু জিনিস আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন। যেমন ধরুন পণ্যটির একটা পেজ বা লগো থাকবে আর ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারলে তো কোন কথাই নেই। কিভাবে পেজ খুলতে হয় তা আপনি গুগল বা ইউটিউব থেকে দেখে নিতে পারেন অবশ্যই ব্যবসায়ীক পেজ খুলবেন আর ওয়েব সাইট কিন্তু এখন অনেক কম খরচেই বানানো যায় সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই আপনার নিজের পণ্যটির নাম দিয়ে সুন্দর একটা বানিয়ে নেবেন কিছু খরচ হলেও আপনার পণ্যের জন্য সেটি অনেক ভালো হবে। কারণ অনেক সময় দেখা যায় পোস্ট প্রত্যেকবারই আপনাকে লিখতে হচ্ছে সেক্ষেত্রে ওয়েব সাইটে লিখা বা পেজে লিখা থাকলে তা স্থায়ী হয় আর পরে আপনি নিজের ইচ্ছে মত ব্যবহার করতে পারেন কপি পেস্ট করে। 






৭. পণ্য সম্পর্কে গঠনমূলক বর্ননা দেওয়া 


ধরুন আপনি দেশী নকশী কাঁথা নিয়ে কাজ করবেন তাহলে তার সুন্দর করে বর্ননা দেবেন। কিভাবে বানানো হয় সেই কাথা আর কোন অঞ্চলের তা অবশ্যই বর্ননাতে দেবেন। কারণ অনেকেই বর্ননা পড়লে সেই পণ্যটির কেনার আগ্রহ বাড়বে। আবার ধরুন আপনি আপনি নতুন কোন খবার পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করবেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই তার সুন্দর একটা বর্ননা দেবেন কারণ পণ্যের বর্ণনা ভালো না হলে ক্রেতারা পণ্য কেনার আগ্রহ পাবে না। আমি যেমন কিছুদিন আগে ঘরের এমন একটা সাজানো প্রডাক্ট আর কি কাজে কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটা পড়ে কেনার আগ্রহ তৈরি করেছিলাম। তেমনি আপনি ভালোমত যদি পণ্যের বর্ননা দেন তবে অবশ্যই আপনার পণ্যটি সেল হবে আর পণ্যে বর্ননা ছাড়া কখনও বেশি ক্রেতা পাবেন না। 






৮. বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অফার তৈরি করা 


আমরা বাঙ্গালী কম টাকায় বেশি জিনিস এমন জিনিস বেশি পছন্দ করি আর সেজন্যই আপনি বিভিন্ন মৌসুম হিসেবে অফার তৈরি করতে পারেন। যেমন ধরুন ঈদ বা পূজা বা বছরের শেষ এর জন্য আপনি একটা প্যাকেজ তৈরি করলেন আর সেই প্যাকেজের মধ্যে নির্দিষ্ট মূল্যের জন্য ছাড়ের ব্যবস্থা করলে ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে থাকবে। আর অফারগুলো অবশ্যই লোভনীয় হতে হবে আর অফারগুলোর করার পর অবশ্যই আপনাকে তার যথাযথভাবে ক্রেতার কাছের পৌছানোর মত যোগ্যতা থাকতে হবে। 






৯. আইডি পাবলিক রাখা ও নিজের ছবি যুুক্ত করা 


আমরা অনেকেই বিজনেস করতে চায় কিন্তু অনেক সময় আমাদের ফেইসবুক আইডিটা লক রাখি। এরকম হলে ক্রেতা আপনাকে বিশ্বাস করবে করতে চাইবে না। তাই আপনার ফেইসবুক আইডিটাকে পাবলিক রাখা এবং নিজের ছবি যুক্ত করা অনেক সময় আপনাকে বিশ্বস্ত করে তোলে। আইডির এবাউটটা অনেক সুন্দর করে রাখবেন যেন অনেক তথ্য যুক্ত থাকে। কোথায় পড়াশোনা করেছেন কোথায় কি করবেন আর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা যুক্ত করতে পারেন তাতে ক্রেতারা বুঝতে পারবে আপনি ভালো মানের বিক্রেতা। আর নিজেকে সেরা মনে করতে হবে যেন কোনভাবেই ক্রেতা আপনার সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা না পায়। 






১০. আইডিতে আপনার পণ্য সম্পর্কে কিছু পোস্ট যুক্ত রাখা


আপনি বিজনেস করবেন সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আপনার পণ্য নিয়ে আপনাকে নিজের আইডিতে পোস্ট করতে হবে যেন ক্রেতারা আপনার আইডি ঘুরলে বুঝতে পারে আপনি ফেইক বিক্রেতা নন। আমি নিজেই বিশেষ করে অনরাইনে কোন গ্রুপ থেকে পণ্য কেনার সময় আইডিটা একটু চেক করে দেখি কারণ অনেক সময় আইডির তথ্যটা সঠিক থাকে না। আর আইডির তথ্যগুলো সঠিক না থাকলে আমি সাধারণত সেই আইডিটা সাথে লেনদেন করি না। আমার মত অনেকেই হয়তো এই কাজটা করে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার আইডিটা ঠিকমত না রাখেন তবে ক্রেতার সংখ্যা কম হতে পারে। আসলে নিজেকে যতটুকু পারা যায় স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করা উচিত। কারণ নিজের পারসোনাল তথ্যগুলো পাবলিক না হলে আপনি অনলাইনে বিসনেস করতে পারবেন। একটা বিষয় হলো আপনি যখন কোন দোকান থেকে কিনবেন তখন সেখানে একটা ঠিকানা থাকে আর অনলাইনে তো আপনাকে কেউ চিনবে না তাই আপনাকে আপনার আইডিটাই দোকানের মত রাখতে হবে। এটাই মনে করতে হবে আপনার সকল ঠিকানা বা সকল পরিচয় দেওয়ার একটা মাধ্যম। 




কিছু আইডিয়া বা কিছু তথ্য আছে যা শেখানো কঠিন। তবে ফেইসবুক মার্কেটিং বা ফেইসবুকের বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা বর্তমানে জনপ্রিয় একটা পদ্ধতি। আশা করি সবাই উপরোক্ত পয়েন্টগুলো পড়ে চেষ্টা করবেন। আমার মনে হয় এভাবে বিষয়গুলো মাথায় রেখে চেষ্টা করলেই একটু সম লাগলেও আপনি আপনার কাজটা করতে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ। 


Leave a Comment