বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় জেনে নিন

ভালো রেজাল্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায়

সিজিপিএ ৪ পাওয়ার উপায় | বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় নিয়েই আমাদের আজকের আর্টিকেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো ফলাফল আপনাকে ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পেতে সাহায্য করবে। অল্প পড়েও ভালো ফলাফল করা যায়। 

আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন নতুন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তবে আপনার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করা অনেক কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

ভালো রেজাল্ট
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার দোয়া
Searches: 170/mo – CPC: ৳0 – SD: 44
ভালো রেজাল্ট করার রুটিন
Searches: 0/mo – CPC: ৳0 – SD: 0
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার মন্ত্র
Searches: 0/mo – CPC: ৳0 – SD: 0
অনার্স ভালো রেজাল্ট করার উপায়
Searches: 70/mo – CPC: ৳0 – SD: 37
ভালো স্টুডেন্ট হওয়ার উপায়
Searches: 0/mo – CPC: ৳0 – SD: 0
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার উপায়
Searches: 70/mo – CPC: ৳2.38 – SD: 19
মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করার উপায়
Searches: 0/mo – CPC: ৳0 – SD: 0
ইংরেজিতে ভালো রেজাল্ট করার উপায়

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় সম্পর্কে সবারই জানা থাকা উচিত। কারণ আজকের এই লেখাটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় নিয়ে লেখা হয়েছে। এছাড়া আরও জানতে পারবেন। যেমন, 

(ক) অনার্স ভালো রেজাল্ট করার উপায়। 

(খ) অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস পাওয়ার উপায়।

(গ) সিজিপিএ ৪ পাওয়ার উপায়।

(ঘ) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার উপায়।

আপনার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি বছরে যদি আজকের এই কৌশলগুলো অনুসরণ করেন তাহলে খুব সহজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করতে পারবেন।

যেটি আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ারের পথে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় গুলো জানার জন্য নিচের মোট ১২টি পয়েন্ট পড়ুন। আশা করবো সবগুলো পড়লে সহজেই বুঝতে পারবেন। 

১. প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থাকা

শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি নিয়মিত প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত না থাকেন তবে কোন টপিক আপনি কার্যকরভাবে শিখতে পারবেন না। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষকরা নিয়মিত উপস্থিত থাকার জন্য একটা নম্বর প্রদান করে থাকে।

তাই আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে প্রতিটি ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকার। কোন সমস্যার কারণে দু একটা ক্লাস না করা যেতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার কোন একটা কাছের বন্ধুকে নোট করার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

তাহলে ক্লাসে কি কি পড়ানো হয়েছে সেগুলো জানতে পারবেন এবং কার্যকরভাবে শিখতে পারবেন আপনার বন্ধুর কাছ থেকে। এটা যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার মূল মন্ত্র হিসেবে কাজ করে।

২. প্রশ্ন করা এবং উত্তর করা

অংশগ্রহণ দেখানো গুরুত্বপূর্ণ এখানে। যদি আপনার শিক্ষকের কোন একটা প্রশ্ন বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে হাত তুলে জিজ্ঞাসা করুন। আর শিক্ষকেরা কোন কিছু জানতে চাইলে তখন আপনি উত্তর করার চেষ্টা করবেন।

ক্লাসে নিয়মিত জিজ্ঞাসা করা এবং উত্তর করা কোন কিছু কার্যকরভাবে শিখতে এবং মনে রাখতে সাহায্য করবে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা অনেক সময় ক্লাস টেস্ট বা কুইজে অংশগ্রহণ করার জন্য একটা নির্দিষ্ট নম্বর প্রদান করে থাকে। তাই এখানে অংশগ্রহণ করা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৩. নিয়মিত নোট করা

নোট করার জন্য আপনাকে নিয়মিত একটি খাতা ও কলম আনতে হবে। অনেক সময় ক্লাসে ল্যাপটপ ব্যবহার করে নোট করার অনুমতি দিতে হয়।

কিন্তু এসব ইন্টারনেট জড়িত জিনিসপত্র ব্যবহার করা অনেক সময় বিভ্রান্তিকর হয় এবং এগুলো থেকে সতর্ক থাকা উচিত।

শিক্ষকেরা প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডে কি কি পড়াচ্ছেন সেটা আপনাকে গুরুত্বসহকারে নোট করে নিতে হয়। কারণ বেশিরভাগ সময় দেখা যায় এগুলো পরীক্ষায় আসে।

আপনার যদি নোট নিতে সমস্যা হয় তবে আপনি কর্নেল স্টাইল নোট নিতে পারেন। এছাড়া আপনার হাতের লেখা যদি খুব বেশি ভালো না হয় তাহলে আপনি টাইপ করে নোট নিতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার এটি অন্যতম সেরা উপায় হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

৪. রেফারেন্স বই পড়ুন

রেফারেন্স বই আপনাকে আপনার কোর্সটি আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার একটা নির্দিষ্ট সিলেবাস থাকলেও অনেক সময় এর বাইরে থেকে অনেক কিছু পড়তে হয়।

আপনি যদি কোন একটা নির্দিষ্ট কোর্সের কোন টপিক বুঝতে সমস্যায় পড়েন, তখন ঐ কোর্স সম্পর্কিত রেফারেন্স বইগুলো পড়তে পারেন যেগুলো আপনার শিক্ষকেরা রেফারেন্স বই হিসেবে সুপারিশ করেছেন।

অনলাইনে এ ধরনের অনেক বিকল্প বই খুঁজে পাবেন কিংবা সাপ্লিমেন্ট পাবেন। এসব ম্যাটেরিয়াল আপনাকে ভালোভাবে শিখতে সাহায্য করবে কোন কিছু।

৫. নিয়মিত সিলেবাস চেক করা

আপনাকে পরীক্ষার সময়সূচী সিলেবাস দেখে মনে রাখতে হবে। ক্লাসের প্রথম দিনে হয়তোবা আপনি সিলেবাসটি হাতে পাবেন কিংবা অনলাইন থেকে হ্যান্ডআউট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

প্রতি সপ্তাহে আপনি এগুলো চেক করবেন যে কখন কোন দিন আপনার প্রেজেন্টেশন, মিডটার্ম বা ইনকোর্স কিংবা ফাইনাল পরীক্ষা।

পরীক্ষার তারিখগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স শিক্ষকরা আপনাকে মনে করিয়ে দিবে। আপনার মাথায় এসব তথ্য সবসময় রাখার চেষ্টা করবেন। এটা আপনার পড়াশোনার প্রতি তাগিদ সৃষ্টি করতে সাহায্য করবে।

৬. আপনার সাপ্তাহিক কাজের তালিকা তৈরি করা

আপনি যেন পিছিয়ে না পড়েন এজন্য এটি করতে হবে। প্রতিটি সপ্তাহ শুরু হওয়ার আগে আপনাকে তালিকা করতে হবে আপনাকে কি করতে হবে এবং কোন এসাইনমেন্ট করতে হবে সেগুলোর। এটা হয়তোবা আপনাকে নিয়মিত ক্লাস ট্র্যাক করার জন্য সাহায্য করতে পারে।

আরো পড়ুন >> ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড এর সরকারী চাকরীর প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন   

আপনি কখন পড়বেন এবং কখন কি করবেন তার একটা রুটিন তৈরি করতে হবে ক্লাসের সময়ের সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে। আপনার করণীয়গুলো মনে রাখবেন এবং নির্দিষ্ট টাইম এর আগেই সেগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করবেন।

৭. প্রতিদিন নিয়মিত অল্প অল্প করে পড়ুন

পরীক্ষার আগে যাতে চাপ তৈরি না হয় সেজন্য এই কাজটা আপনাকে করতে হবে। প্রতিদিন আপনার ক্লাসের পরে আপনি যে নোটগুলো করেছেন সেগুলো দেখুন এবং পড়ে ফেলুন।

আপনি যদি প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়েন তাহলে সেই পড়া আপনাকে দীর্ঘদিন মনে রাখতে সাহায্য করবে। যেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার একটা উপায়।

পড়াশোনার জন্য একটা উত্তম সময় নির্ধারণ করুন। যেদিন ক্লাস থাকবে সেদিন সকাল বেলা একটু পড়ার চেষ্টা করবেন। এছাড়া রুটিন দেখে ফাঁকা সময় বের করে তখন পড়তে পারেন। এছাড়া ক্লাস শেষে বিকাল টাইমে পড়তে পারেন।

৮. আগেই অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করুন

আপনি কোন একটা কাজ এক রাতের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারেন বলে এটা করা উচিত হবে না।

যদি আপনাকে কোন একটা অ্যাসাইনমেন্ট অথবা প্রজেক্ট করতে হয় তাহলে সেটা আপনাকে অবশ্যই সময় নিয়ে করতে হবে।

তাহলে আপনি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবেন। সময় নিয়ে করলে অবশ্যই সেটা ভালো হবে।

৯. শিক্ষকের অফিসে যান

কোন একটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে চাইলে অবশ্যই একের পর এক শিক্ষকের সাথে দেখা করতে পারেন জানার জন্য। আপনার প্রয়োজনীয় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন। 
কোন মূর্খ প্রশ্ন জানতে কখনোই ভয় পাবেন না। প্রফেসর আপনাকে সাহায্য করবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না ধারণাটি পরিষ্কারভাবে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রশ্ন করতে থাকুন।

১০. স্টাডি গ্রুপ তৈরি করা

সহপাঠীদের কাছ থেকে রেসপন্স ও সাহায্য পাওয়ার জন্য এটি তৈরি করতে পারেন। আপনি আপনার ক্লাসের সহপাঠীদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা সপ্তাহ দু একদিন গ্রুপ স্টাডি করতে আগ্রহ কিনা। 
আপনার কোন ধারণা বুঝতে সমস্যা কিংবা আরো অন্য কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে স্টাডি গ্রুপে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। 
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার অন্যতম কারণ হতে পারে নিয়মিত গ্রুপ স্টাডি করা। গ্রুপ স্টাডি করার মাধ্যমে নানারকম উপকার আপনি পেয়ে থাকবেন।

১১. রাতে প্রচুর ঘুমান

নিজের শরীরকে সতেজ রাখার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। অনেকে ঘুমকে অবহেলা করে থাকে, কিন্তু আপনি যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে না পারেন তাহলে একাডেমিক রেজাল্ট ভালো করার সম্ভাবনা থাকবে না।

আরো পড়ুন >> ই-কমার্স এসইও বা E-Commerce SEO কি ? বিস্তারিত তথ্য     

নিয়মিত চার ঘন্টার কম ঘুমালে আপনার মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়বে। নিয়মিত রুটিনমাফিক ঘুমানোর চেষ্টা করবেন। ঘুমানোর পূর্বে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

১২. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা

ক্লাসে ভালো পারফরম্যান্স করার জন্য আপনার দেহে পর্যাপ্ত শক্তির প্রয়োজন রয়েছে।

দেহের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং ফাস্টফুড পরিহার করতে হবে।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করার ফলে আপনি আরও বেশি উদ্যমী এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন।

উপসংহার

বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলাফল করার জন্য উপরে উল্লেখিত টিপসগুলোর কোন বিকল্প নেই।

আজকের এই লেখাটি ছিল মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় নিয়ে একটা পরিপূর্ণ লেখা।

শেষ পর্যন্ত পড়লে আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় ফলাফল করতে সক্ষম হবেন।

এরকম পড়াশোনা বিষয়ে আরো দরকারি আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।

এরকম আরও শিক্ষাবিষয়ক আর্টিকেল সহ যেকোনো আর্টিকেল পেতে ভিজিট করুনঃ   Bongotutor.com   

.রেজাল্ট করার নিয়ে আর্টিকেল প্রথম প্রকাশিত হয় ৭ই আগষ্ট ২০২২ সাল 

About ডিজিটাল আইটি সেবা

ডিজিটাল আইটি সেবা অনলাইন ভিত্তিক সেবা মূলক প্রতিষ্টান। এখানে অনলাইনে আয়, ডিজিটাল শিক্ষা, ফেইসবুক মার্কেটিং সহ আরও অনেক কাজের ধারণা প্রদান করা হয়। এটি দেশের আর্থিক সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্য কাজ করে থাকে।

View all posts by ডিজিটাল আইটি সেবা →

One Comment on “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় জেনে নিন”

Leave a Reply

Your email address will not be published.