14 Online Business Idea 2021 || পুঁজি ছাড়া ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

তথ্য প্রযুক্তির যুগের আপনার একটা আইডিয়া থাকরেই আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। শুধু আপনার দরকার একটা সুন্দর আইডিয়া। আমরা উবার এর নাম জানি না এমন মানুষ পাবো না। যেই কম্পানিটি সারা বিশ্বেই চলছে। অথচ তাদের নিজেদের কোন গাড়ি নেই। একটা মাত্র Apps or Website Develop করেই তারা আয় করলে কোটি কোটি টাকা। আসলে এরকম আরও অনেক আইডিয়ার বিজনেস আমাদরে দেশে চলছে যেটা করার জন্য আপনার অনেক বেশি সময় দিতে হবে বা অনেক বেশি টাকা লাগবে বিষয়টা এমন না তবে আপনার আইডিয়াটা হতে হবে আকর্ষণীয় এবং আপনাকে অবশ্যই আইডিয়াটা সকলকে সুন্দর মত বোঝাতে পারতে হবে। ফেইসবুক প্রতিষ্টানের শুরুর দিকের কথা যদি আপনি চিন্ত করেন তাহলে সেটিও একটা মাত্র আইডিয়া ছিল যা আজকে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেনা করা হয়। 

 

14 Online Business Idea 2021

আজকে আমি রকম 14 Online Business Idea || পুঁজি ছাড়া ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করবো। যেসকল অনলাইন বিজনেস আপনি নিজের ইচ্ছে থাকরেই করতে পারবেন অতি সহজেই। এজন্য আপনাকে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হবে না আপনি শুধু আপনার অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের দ্বারাই আয় করতে পারবেন অনেক টাকা। অনলাইনে আয়ের অন্যতম কিছু মাধ্যমের মধ্যে অন্যতম হলোঃ 

 

(a) SEO কনসালটেন্ট 

অনলাইনের যাদের ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট আছে তাদের প্রত্যেকেরই  SEO কনসালটেন্ট এর প্রয়োজন হয়। কারণ আপনি একা সব কাজ করতে পারবেন না। আর যার কারণে আপনাকে আরেকজনের সাহায্য নিতে হবে যেটা আপনি একজন প্রফেশনাল  SEO কনসালটেন্ট এর মাধ্যমে পেয়ে থাকবেন। আমরা কোন কিছু খোজার জন্য সর্বপ্রথম গুগলে সার্চ করি এবং সেটা সেখান থেকেই বিস্তারিত ধারনা নিয়ে কাজ করা শুরু করি। আর এই সার্চ দিয়ে আপনাকে আপনার পছন্দমত জিনিস পাওয়ার কাজে সাহায্য করার জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে  SEO কনসালটেন্ট। তারা আপনার ওয়েব সাইট কে গুগল সার্চ এ সামনের দিকে নিয়ে আসবে এবং ক্রেতারা বা ক্লায়েন্টরা আপনার সাইটটিকে অনেক সহজেই পাবে। এভাবেই এখন এই সেক্টরটা ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে অনেক বেশি পরিমাণে। 

 

SEO মানে হলো Search Engine Optimization অর্থ্যৎ আপনি সার্চ করলে আপনার সাইটে তথ্যই সবার আগে আসবে। আর এর জন্য আপনাকে প্রথম দিকে কিছু তথ্য জেনে তারপর কাজ শুরু করতে হবে। বর্তমানে একজন  SEO কনসালটেন্ট এর ব্যাপক চাহিদা। এদের বেতনও অনেক বেশি এবং এদের কাজটা অফিসিয়াল যতটা তার চাইতেও বেশি বাসায় বসেই করে থাকে। আমাদের দেশে এই সেক্টরে দক্ষতা জনবল কম হওয়ার কারণে অনেকেই ফ্রিল্যান্সারেরর কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে থাকে। 

 

(b) Social Media Marketer 

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন, ফেইসবুক, ইনস্ট্রাগ্রাম, টুইটার, লিংকিইন এসব সাইটে আপনি মার্কেটার হিসেবে কাজ করবেন। বিবিন্ন কম্পানির মার্কেটিং বিভাগে এরকম পার্টটাইম বা ফুলটাইম অনলাইন বেইজড চাকরী পাওয়া যায়। কিছুদিন আগের আমার পরিচিত একজনকে আমি এই বিষয়ে বললাম। এবং তার অনলাইন মার্কেটার প্রয়োজন এবং সে যেন পার্টটাইম হিসেবে নিয়ে যদি ভালো সুবিধা পায় তবে যেন ফুল টাইম সময় দেয়। আসলে বিজনেস যত বড় হবে তার জন্য প্লানিংটাও তত বড় করা অনেক বেশি প্রয়োজন। বিজনেস বড় হলে আপনি সেই অনুসারে যদি প্লানিং না করেন তবে আপনি ভালো করতে পারবেন না। এখানে আপনাকে শুধু দক্ষ হলেই ভালো আয় করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। 

 

(c) Business Adviser 

আপনার টাকা আছে কিন্তু আপনার বিজনেস আইডিয়া নাই আপনি কোন বিজনেস করবেন কিভাবে করবেন এসব জানার জন্য হলেও একজন বিজনেস এডভাইজারের কাছে যাবেন। আমাদের দেশে এর চাহিদা আগে কম থাকলে এখন অনেক বেশি বেড়েছে। আগে অনলাইন বিজনেসটা এতটা বাড়ে নাই যা বিগত এক বছরে বেড়েছে। আমার মনে হয় COVID-19 এর পরে প্রত্যেকটি মাস এক বছরের মত হয়ে গেছে বিজনেস আইডিয়া ও এই খাতে আসা লোকদের সংখ্যা। COVID-19 এর কারণে অনলাইনে অনেক কিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। যেই কাজ আমরা আগে  গিয়ে করতাম তা আজকে আমরা বাসায় বসেই করতে পারি। আর সামনের দিনে এই সেক্টরগুলোতে কাজের পরিমান ও চাহিদা বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

 

(d) Virtual Trainer 

COVID-19 এর সময়ে আমি যতটুকু মিটিং বা যতটুকু ট্রেইনিং করাতে দেখেছি তার বেশিভাগিই চিল Virtual আর সামনের দিকে এই কাজটা আরও অনেক বেশি হবে। সরকারী কোন জরুরী বৈঠকও এখন Virtual ভাবে করা হয়। এতে করে আপনার সময় ও স্থানের ঝামেলা কমে যায়। আর সামনের দিকে মানুষ যাতায়াতের মত সমস্যা থেকে বাচার জন্য এই পদ্ধতিটাকে স্বাগত জানাবে বলে আমার মনে হয়। ইদানিং কালের বিভিন্ন কাজের দৃশ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, আপনি ভবিষ্যতে একজন Virtual Trainer হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্টিত করতে চাইলে অবশ্যই আননকে কোন বিষয়ে দক্ষ হতে হবে এবং তার জন্য আপনাকে কাজ করে যেতে হবে নিয়মিত। ধরুন আপনি গ্রাফিক্স এর কাজ ভালো পারেন তবে আপনি Virtual Trainer হিসেবে কোর্স অপার করতে পারেন যেটা আপনি বাসাতে বসেই করাতে পারবেন। 

 

(e) ফেইসবুক মার্কেটিং 

ফেইসবুক মার্কেটিং নিয়ে কিছু তথ্য আপনি হয়তো ইউটিউব বা বিভিন্ন ফেইসবুকে গ্রুপেই দেখে থাকবেন। বিগত কয়েক মাসে আমাদের দেশে ফেইসবুক মার্কেটিং অনেক বেড়েছে। তার অন্যতম কারণ হলো আমাদের দেশের এখনও ডিভাইসগুলো সবার হাতে না না যার কারণে অন্যন্যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের চাইতে ফেইসবুকটা সবার কাছে সহজেই পৌছায়। আর এই সুবিধাটাই বর্তমানে কিছু ডিজিটাল মার্কেটাররা নিচ্ছে। আপনিও ইচ্ছে করলে ফেইসবুকের মাধ্যমে মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফেইসবুকে পণ্যের একটা লাইভ করার জন্য বিদেশী একটা কম্পানি একটা মেয়েকে ৪০ হাজার টাকার পেমেন্ট করেছি। যদিও কম্পানিটি বড় আর প্রডাক্টও অনেক ভালো মানের তারপরেও তারা এই কাজের জন্য এতটা পেমেন্ট করেছিল। আপনি নিজেও যদি ভালো কথা বলতে পারেন বা লিখতে পারেন তবে এই কাজটা ঘরে বসেই করতে পারেন। 

 

(f) কনটেন্ট রাইটিং 

আপনি এখনই যেই লিখাগুলো পড়ছন সেটাও একটা কনটেন্ট এভাবে আপনি বাংলা বা ইংরেজীতে বিভিন্ন আর্টিকেল বা কনটেন্ট লিখেও আয় করতে পারেন। আপনি iWriter এ গিয়ে দেখলে অবাক হয়ে যাবেন এই কাজের কেমন চাহিদা আমাদের দেশে। আপনি ভালো মানের রাইটার হলে প্রতি ১০০০ ওয়ার্ড লিখার জন্য 10-20 ডলার পর্যন্ত পেয়ে থাকবেন। তবে শুরুর দিকে আপনাকে একটু পরিশ্রম করে মার্কেটে জায়গা করে নিতে হবে। কনটেন্ট রাইটিং এর অনেক বড় ক্ষেত্র আছে আমাদের দেশে। বাংলা কনটেন্ট রাইটিং এর টাকা কম হলেও ইংরেজী কনটেন্ট রাইটিং এর অনেক দাম বর্তমানে। আপনি একটি ভালো মানের কনটেন্ট রাইটার হতে পারলে বাসায় বসেই আপনি প্রতি মাসে ভালো আয় করতে পারেন। আমাদের কাছেও আপনি ইচ্ছে করলে এই বিষয়ে সহযোগীতা নিতে পারেন। আমরাও অনেক সময় এই কাজের জন্য ভালো পেমেন্ট করে থাকি যদিও বাংলায় কনটেন্ট হলে ইংরেজীর চাইতে কম পেমেন্ট করা হয়। আর পারমান্টেভাবেও আপনি এই কাজ করতে পারবেন। 

 

(g) রিভিও রাইটিং 

বিভিন্ন পণ্য বা জিনিসের রিভিও লিখেও আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। ইউটিউবে ফুড ব্লগগুলো অনেক ভালো চলে আপনি ইচ্ছে করলেই এরকম কাজগুলো অনলাইনে ঘরে বসেই করতে পারেন। আজকাল রিভিও অনেক সময় অনেক বইয়েরও হয়ে থাকে। বিভিন্ন গ্রুপে তো পুরস্কারও দেওয়া হয় এই কাজ করার জন্য। রিভিও রাইটিং লিখে আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই যেটা নিয়ে রিভিও লিখবেন তা ভালোভাবে জানতে হবে তারপর সেটার কিছু নিয়ম মেনে আপনি ‍সুন্দর করে লিখতে পারেন। আর বিভিন্ন কম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্ট এর রিভিও গুলা সাধারণত এভাবেই লিখে নেওয়া হয়। যদিও এই কাজটা করার জন্য আপনি সৃজনশীলতার পরিচয় দিতে হবে অন্য কাজগুলোর চাইতে। 

 

(h) ই-বুক রাইটার 

আপনি ই-বুক রাইটার হিসেবেও কাজ করতে পারেন। আমাদের দেশের অনেক রাইটারই আছে যারা নিজে লিখতে পারে না কম্পিউটারে তারা নিজের হাতের লিখাটাকে কম্পিউটারে টাইপ করে রাখার জন্য অনেককেই চাকরী দিয়ে থাকে। আবার আমাদের দেশে অনেক কম্পানিই আছে বিভিন্ন রাইটারের বই তাদের অনুমতি নিয়ে ই-বুকে রাখে আর আপনি তাদের সাথে এই কাজটাও করতে পারেন। গত বছরই আমার পরিচিত একটা কম্পানি এরকম একটা এ্যাপস চালু করেছে যেখানে প্রাথমিকভাবে অনেক বেশি বই রাখা হয় নাই যদিও। তবে সামনের দিকে এই সংখ্যাটা আরও অনেক বাড়বে বলে আমার মনে হয়। 

 

(i) Apps Development 

এই কাজটা একটু কঠিন হবে আপনি যদি না বুঝে থাকনে। বর্তমানে বিভিন্ন কম্পানির Apps আছে যেগুলোর মধ্যে কিছু আছে তথ্য দেওয়া থাকবে আর কোন সমস্যা নেই আর কিছু আছে যেগুলোর মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। আপনি জাস্ট কনফার্ম করবেন এই কাজগুলো অনেক সময় ম্যানুয়ালী চেক করার জন্য অনেক কম্পানিই পার্ট টাইম হিসেবে বেতন দিয়ে মানুষকে দায়িত্ব দিয়ে রাখে। আপনি অনলাইনে বাসায় বসে বা তাদের অফিসে বসেও এই কাজটা করতে পারবেন। এখানে কাজের জন্য আপনাকে হয়তো কিছুদিন ট্রেইনিং এর প্রয়োজন হবে। আর আপনি ১ম দিকে বুঝতে না পারলেও পরে যখন বুঝবেন তখন দেখবেন কাজটা বেশি কঠিন না অনেকটাই সহজ। 

 

(j) ওযেবসাইট ম্যানেজমেন্ট 

ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট বলতে আমি কোডিং করার কথা বলছি না। আপনি দেখে থাকবেন অনেক ওয়েবসাইটে অনেক বেশি পরিমাণে ট্রাফিক আসে আর সেই সকল ওয়েব সাইটে বিভিন্ন সময় কমেন্ট বা বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হয় আর এগুলো ম্যানেজ করা একার পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। আপনিও এই কাজ করতে পারবেন। আমাদের দেশের বেশ কিছু ওয়েব সাইট আছে যেগুলো ব্লগ সাইটের মত যেখানে আপনি আপনা ইমেইলটা দিয়েই যুক্ত হতে পারবেন এবং সেখানে আপনার নিজের একটা একাউন্ট থাকবে যার মাধ্যমে আপনি সেখানকার তথ্য লগইন করে পেয়ে যাবেন। আর এভাবে আপনি পার্ট টাইম হিসেবে কাজ করতে পারেন। 

 

(k) ফেইসবুক পেজ ম্যানেজমেন্ট 

অনেক ব্যবসায়ী বা বড় ব্যাক্তিত্ব আছে যারা তাদের ফেইসবুকের পেজ ম্যানেজ করার জন্য আরেকজনকে রেখে দেয়। অনলাইনে অনেক পাওয়া যায় এরকম পার্ট টাইমের চাকরী। আপনি বিভিন্ন গ্রুপ বা কম্পানির পেজ মেইনটেইন করেও পার্ট টাইম হিসেবে কাজ করে আয় করতে পারবেন। বর্তমানে এফ. কমার্সের কারণে অনেকেই ফেইসবুকের পেজের মাধ্যমে আয় করছে পণ্য বিক্রি করে। এর মালিক হয়তো সব সময় সময় দিতে পারে না তাই অনেক সময় এর দায়িত্ব হিসেবে অন্য কাউকে দিয়ে থাকে। কিছুদিন আগে ফাইবারে 250 ডলার মাসিক হিসেবে চাইনা একজন ই-কমার্সের ব্যাক্তি বাংলাদেশী একজন মেযেকে চাকরী দেওয়ার কথা আমি জেনেছি। তার কাজ হলো পেজটা রান করা এবং বিভিন্ন গ্রুপ বা বিভিন্ন জায়গা তা শেয়ার দেওয়া। এর মাধ্যমে যেন অডার আসে। যদিও ছবিগুলো প্রডাক্টর এর থাকবে যা পোস্ট নিজেকেই করে দিতে হবে সময় মতো। আপনিও এভাবে আয় করতে পারবেন তার জন্য আপনাকে অনলাইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। 

Facebook Group Marketing

 

(l) ওয়েব ডিজাইন 

কিছুদিন আগেও ওয়েব ডিজাইনের প্রতি এতটা আগ্রহ ছিল না মানুষের আর বর্তমানে মানুষ নিজের একটা পারসোনাল সিভির জন্য হরেও একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চায়। আসলে এটা প্রয়োজন বর্তমানে আপনি যে কোন কাজ করার জন্য বা যে কোন কিছু কেনার জন্য সর্বপ্রথম গুগলের কাছে পরামর্শ চান। আর গুগল এই সকল ওয়েব সাইট থেকে আপনাকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করে থাকে। আপনি ওয়েব ডিজাইন করেও মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। তবে তার জন্য আপনাকে শিখতে হবে। অনলাইনে জগতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে শিখতে কোন কাজের নাম বলতে বললে আমি এই কাজটাকেই বলবো। কারণ আপনি অন্য কাজ যতটা সহজে শিখতে পারবেন কিন্তু এই কাজটা শিখতে আপনাকে বেশি সময় দিতে হবে। আর তাই আমি বলবো আপনি যদি নিজেকে একজন ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে দেখতে চান তবে হাতে বেশ খানিকটা সময় নিয়ে শুরু করতে পারেন। আর কম সময়ের মধ্যে কোন কাজ করতে চাইলে বাকিগুলোর মধ্যে যে কোন একটি পছন্দ করতে পারেন। 

JavaScript a to z || JavaScript বা জাভাস্ক্রিপ্ট সম্পর্কে সকল তথ্য

 ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলমেন্ট এর গাইড লাইন

(m) গ্রাফিক্স ডিজাইন 

অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কেমন চাহিদা তা জানার জন্য আপনি ইউটিউব বা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারবেন। কারণ আমি এখানে বললে অনেক কমই বলা হবে। আপনি একটা বিস্কুট কিনলে তার মোড়কে যেই ডিজাইন দেখেন সেটা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার করেছে তেমনি ভাবে আপনার শরীরের পোশাকের ডিজাইন বা বাড়ির ডিজাইন এসব ডিজাইন কোন না কোন ডিজাইনার করেছে। আর এর চাহিদাটা এতটাই বেশি যে আপনি যদি শিখে থাকেন বা জানেন কোন একটা কম্পানির কাজই আপনি শেষ করতে পারবেন না। আর এই জন্য বর্তমানে এই পেশাকে অনেকেই বেছে নিয়েছে। এখানে আপনাকে অনেক বেশি শিক্ষিত হতে হবে বিষয়টা তা নয় আপনি সামান্য জ্ঞান থাকলে আর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই মাসে অনেক ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। 

Graphics Design বা গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কিছু ভুল

 Graphics Design || গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো করার ৯টি উপায়

(n) হস্তশিল্প বিক্রি করা 

বর্তমানে হস্তশিল্পের ব্যবহার কয়েক গুন বেড়েছে। কিছুদিন আগে আমাদের বিভাগী মেলাতে এত বেশি পরিমাণে হস্তশিল্পের বিজ্ঞাপন দেখে আমি তো অবাক। এবং গিয়ে দেখি সেখানে এত এত মানুষ যারা কিনা নিজেদের পছন্দমত জিনিসপত্র কেনা-কাটায় ব্যস্ত। আসলে হস্তশিল্পের একটা বড় গুণ হলো এখানে আপনার জন্য তৈরি জিনিসগুলো দেখতে অনেক সুন্দর এবং আপনি অনেক সুন্দর ডিজাইনের পণ্য পাবেন কম টাকায়। 

 

বর্তমানে হস্তশিল্পে ক্ষেত্র শুধু আমাদের দেশের মধ্যেই সিমাবদ্ধ যে তা নয় এটি এখন দেশের বাইরেও অনেক চাহিদা তৈরি করেছে। আমার মনে হয় আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই শিল্পটি আরও অনেক বেশি চাহিদা বাড়াবে বাইরের দেশের ক্ষেত্রে। আমাদের দেশে আগের মত এখন আর হস্তশিল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী জনবল পাওয়া যায় না। তবে এই শিল্পটার চাহিদা আগের থেকে বর্তমানে অনেক বাড়ছে প্রযুক্তির কল্যাণে সামনে আরও বাড়বে। 


Leave a Comment