৩০ বছরের আগেই যে ৮টি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত

Early to bed, Early to rise makes a man, healthy, wealthy and wise. অর্থ্যৎ দ্রুত ঘুমানো ও দ্রুত ঘুম থেকে উঠা এত ভালো অভ্যাস যা একজন মানুষকে স্বাস্থবান, সম্পদশালীজ্ঞানী করে তোলে। ভালো কিছু করার জন্য আপনাকেই চেষ্টা করতে হবে আর চেষ্টা করতে হবে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে যা আপনাকে আপনার লক্ষ্য পূরণে সহযোগীতা করবে।

৩০ বছরের আগেই যে ৮টি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত

কথাই বলে সময়ের কাজ যদি সময়ে না করা যায় তবে অসময়ে পস্তাতে হয়। আর আমি আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে এমন একটা বিষয় আলোচনা করবো যেটা আপনার লাইফের জন্য অনেক বেশি জরুরী। আপনার বয়স যদি ২০ বছর থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। তাহলে নিচের বিষয়গুলো একটু চিন্তা করে দেখতে পারেন।

আরো পড়ুন >> তরুনদের সরকারী চাকরীর আগ্রহের কারণ কি ?

আরো পড়ুন >> পৃথিবীর সেরা শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জানুন।

(১) তুলনা করা বন্ধ করুন 

বয়স ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকা মানুষগুলো নিজেকে অন্যদের সাথে অনেক বেশি তুলনা করে থাকে। ফ্রেন্ডরা কি করলো তারা কত টাকা বেতন পাচ্ছে তারা কিভাবে কোন কাজে সফলতা পাচ্ছে আমি কেন পাচ্ছি না। আমার বেতন কেন বাড়ছে না, আমি কেন কোন চাকরী পাচ্ছি না এমন অনেক বিষয় নিয়েই আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে অন্যদের সাথে ‍তুলনা করে থাকি। যেটা আপনাকে অব্যশই দ্রুতই বাদ দিতে হবে। কারণ তুলনা করার মাধ্যমে এই মানুষগুলো একটা Comparison Game এর মধ্যে থাকে। ধরুন আপনি ১০ হাজার টাকা বেতন পান আপনার জানা মতে এক বন্ধু ১৫ হাজার পায় আবার আপনার যখন ১৬ হাজার তখন কারো না কারো ২০ হাজার এভাবে আমাদের অভাব যেমন শেষ হয় না তেমনি তুলনা করার বিষয়টাও শেষ হতে চায় না। 


৩০ বছরের আগেই যে ৮টি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত.১


কারো ধরুন ভালো চাকরী আছে সে চিন্তা করে বসে ওর লাইফে তো Free time বেশি। আবার যার Free Time বেশি আছে সে আরেকজনের অনেক ভালো চাকরী আছে সেই বিষয়টা নিয়ে নিজেকে তার সাথে তুলনা করতে থাকে। আমার বা আপনার চারপাশে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন অনেকেই নিজেদেরকে অদৃশ্য একটা প্রতিযোগীতার মধ্যে নিজেকে ফেলে দেয় যার কোন মানেই হয় না। নিজেরাই নিজেদেরকে একটা প্রেসারের মধ্যে ফেলে দেয় তুলনা করতে করতে। দিন শেষে তো কোন কাজই হয় না এসব তুলনা করার মাধ্যমে শুধু শুধু সময় নষ্ট আর মানসিক চাপ তৈরি করা। তাই দ্রুতই এ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন। 


আরো পড়ুন >>  সরকারী চাকরীর জন্য যেসব দক্ষতা প্রয়োজন।

(২) সময়টাকে যথাযথ ভাবে কাজে লাগান 

ধরুন আপনার বয়স ২৫ আপনি একটা কাজ শুরু করলেন আর কয়েক মাস পর তাতে ব্যর্থ হলেন। আপনি হতাশ না হয়ে ভাবুন যে আপনি আবার শুরু করতে পারবেন। কারণ আপনার সময় আছে হাতে অনেক। এই বয়সে আপনাকে শিখতে হবে আর তার জন্য আপনি যথেষ্ট সময় পাচ্ছেন। আপনাকে যদি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির লাইফটা দেওয়া হয় নেবেন আপনি ? আমার তো মনে হয় প্রথমের দিকে নিতে চাইলেও কিছুদিন যাওয়ার ভাববেন আপনার আগের লাইফটাই বেশি ভালো। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে ধনীর ব্যক্তির কোন সময়ই নেয় সে সব সময়ই ব্যস্ত থাকে। তাই আপনি কোন কারণে ডিপ্রেসড হলে নিজেকে বোঝান যে, আপনার হাতে অনেক সময় আছে আপনি আবার নতুন করে শুরু করতে পারবেন। 

অনেকেই আছে বয়স ৩০ হয়ে গেলে সময় খুজতে যায় তখন আপনি সময় পাবেন না এটাই স্বাভাবিক। পাবিরিক দায়িত্ববোধ নিজের ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ আপনাকে ব্যস্ত করে রাখবে। আর ৩০ এর আগে কোন কিছুতেই প্রেসার নেবেন না এটা ভেবে যে, আপনার যথেষ্ট সময় আছে। 

(৩) নেটওয়ার্কিং শুরু করুন 

যতবেশি পারেন আপনার বয়স যদি ৩০ এর কম হয় তাহলে অনেক বেশি নতুন মানুষের সাথে কথা বলুন অনেক বেশিই চেষ্টা করুন নতুন মানুষের সাথে আইডিয়া শেয়ার করার, নতুন মানুষরা যেসব আইডিয়া দেয় সেসব বিষয় নিয়েও নিজে চিন্তা করতে পারেন। বিশ্বাস করবেন না এই বিষয়টা তবে অনেক কার্যকর হয় এই বিষয়টা যদি আপনি নতুন মানুষদের সাথে বেশি বেশি কথা বলেন বা তাদের সাথে সময় ব্যয় করেন। আর Networking করার উপযুক্ত সময়টাই হলো এই বয়সটা। কারণ আপনি যখন ৩০ পার করবেন তখন আর সময় পাবেন না Networking করে নিজের সার্কেলটা বাড়ানোর জন্য। তাই আপনি এখন থেকেই চেষ্টা করুন অনেক বেশি বেশি মানুষদের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করার। 


Networking



যতটা বেশি কাজের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখতে পারবেন ততটা বেশি আপনি শিখতে পারবেন। কারণ আমরা কিছু জিনিস আছে বই পড়ার মাধ্যমে শিখি আবার কিছু বিষয় আছে আরেকজনের সাথে কথা বলে শিখি। শেখার জন্য আমার মনে হয় পড়াশোনার করা এবং জ্ঞানীদের কাছ থেকে শেখা এই দুইটার বিকল্প নেই। তাই আপনিও আপানার Network টা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। 

(৪) নতুন কিছু শিখুন, নতুন কোনো কাজ করুন 

আপনি ৩০ এর আগে যেটাই শুরু করবেন সেটাই আপনার কাছে নতুন। আমি আমাদের দেশে রকমারি গ্রুপের কথা বলতে পারি। তার ৭ থেকে ৮ টা আইডিয়া বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় তবে আর আর ৫০টার বেশি আইডিয়া যেগুলো ব্যর্থ হয়েছে অথচ আমরা তা জানিও না। রকমারির প্রতিষ্ঠা মাহমুদুল হাসান সোহাগ তিনি নিজেই বলেছেন আইডিয়ার মধ্যে সবগুলোই যে সফল হবে বিষয়টা তা নয় তবে অনেকগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েকটাই কাজে লাগবে। তাই নতুন নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করে যাওয়া উচিত। একটা ব্যর্থ হলে আরেকটা দ্রুতই শুরু করে দেওয়া উচিত। আর আপনি যত বেশি বয়সে নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করবেন তত আগ্রহ কম পাবেন। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের মানসিক চাপের পরিমাণটাও বাড়তে থাকে। 


আপনি নতুন কিছু শিখবেন আর তা আপনার বাস্তব জীবনে কাজে লাগাবেন। আর এই বিষয়টা আপনি যদি অনেক দেরিতে মানে ৩০ এর পরে গিয়ে শুরু করেন তবে তা আর কাজে লাগানোর মত সময় পাবেন না। আর তাই নিজে কিছু শিখবেন ও তা নিজের ও অন্যদের প্রয়োজনে কাজে লাগাবেন এই উদ্ভবনী কাজের জন্য আপনাকে অবশ্যই বয়স ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যেই বা তারও আগে করতে হবে। কারণ আমাদের বয়স ৩০ পার হয়ে গেলে পরিবারের ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের কারণে আমাদের উদ্ভবনী চিন্তাগুলো সেভাবে বিকশিত হতে পারে না। নতুন কোন কাজ নতুন ভাবে শুরু করার জন্য প্রয়োজন পড়ে প্রচুর পরিমানে এনার্জি যা কেবল একজন তরুন উদ্যোক্তারই হয়ে থাকে। আর এই তরুন উদ্যোক্তা হওয়ার বয়সটাই হলো ৩০ বছর এর আগে।

 

(৫) জাজমেন্ট করার অভ্যাস থেকে বের হোন 

আমরা কোন কিছু করার আগেই সেটা সম্পর্কে মন্তব্য করে ফেলি। যেটা আমাদের পরবর্তী কোন কাজের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আমি ২০১৪ সালের একটা ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করি। আর সেটার ফ্রেন্ড লিস্ট যখন আমি চেক করি তখন ফ্রেন্ডদেরকে দেখলে মনে হয় এদেরকে আমি তো চিনিই না কেন এদেরকে এ্যাড করেছিলাম আর কেনই বা এদেরকে আমার ফ্রেন্ড লিস্টে রেখেছি। 


jagement



আপনি কোন পোস্ট করার আগে হয়তো ভাবা শুরু করেন যে, আপনি যেই পোস্টটা লিখবেন সেটাতে মানুষজন কি মনে করবে আর সেটা নিয়ে কে কি মন্তব্য করবে। আপনি এসব চিন্তা করতে করতে একটা সময় দেখা যায় পোস্টটাই লিখা হয় না আপনার অথচ পোস্টটা লিখা আপনার জন্য অনেক জরুরী বিষয় ছিল। কারণ নিজের মতামতের মধ্যে সবগুলোই যে সঠিক হবে বিষয়টা তা নয় নিজের মতের অমিল থাকলেই যে সেটা লিখবেন না আর নিজের মতামত কোনটা ঠিক আর কোনটা অঠিক তা জানার জন্য হলেও আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। আর নিজের কাজে জন্য অন্যদের মন্তব্যকে মূল্যয়ন করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। আর কাউকেই জাজমেন্ট করবেন না নিজের বা নিজের কাজে সাথে এতে করে নিজের সময়টাই লস হয়ে যায় কাজের কাজ কিছুই হয় না। 

(৬) যত দ্রুত ব্যর্থ হবেন, তত দ্রুত শিখবেন 

স্টার্টআপ কম্পানিুগলোর ক্ষেত্রে এখন একটা থিওরি কাজে লাগানো হচ্ছে। অনেক গবেষকরাই বলতেছেন এখন যে, নতুন স্টার্টআপ কম্পানিগুলো বা কোন ব্যক্তিমালিকানা প্রতিষ্ঠান যতটা দ্রুত ফেইল করবে বা ব্যর্থ হবে তারা তত দ্রুতই শিখবে। তবে হ্যা হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। কারণ হাল ছেড়ে দিলেন তো আপনি হেরেই গেলেন। বর্তমানে আপনার প্রডাক্ট অনেক দ্রুত মার্কেটিং করে তার ফলাফল অনেক দ্রুতই হাতে পাওয়া যায় আগেরকার মত এতটা সময় লাগে না। যেমন, ধরুন একটা সময় একটা প্রডাক্ট এর মার্কেটিং করে সেটা বাজারে ছাড়ার পর তার মার্কেটিং কেমন হয়েছে সেটা দেখা হতো কিন্তু বর্তমানে আপনি অনলাইনের মাধ্যমেই আপনার পণ্যের চাহিদা বের করতে পারবেন অনেক কম সময়েই। 


Start UP



তাই আপনি এই চিন্তাটা মাথায় রাখুন যে, আপনি কোন কাজে যত দ্রুত ব্যর্থ হবেন সফলতা আপনার ততটাই কাছাকাছি আপসবে কারণ আপনি অনেক দ্রুতেই শিখবেন। আমাদের জীবনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা তাই আমরা কোন কাজে যত দ্রুত ব্যর্থ হবো যদি সেই কাজে লেগে থাকি তবে ততটাই দ্রুত আবার সফলও হতে পারবো। অনেক সময় দেরিতে ব্যর্থ হলে অনেক সময় ও শ্রম লস হয়ে যায়। তাই Fail Fast এই থিওরিটা বয়ষ ৩০ এর আগেই হওয়া চাই মানে আপনি বয়ষ ৩০ এর আগেই কাজ শুরু করে দিন। কারণ আপনি যখন ৩০ এর বেশি বয়সী হবেন তখন আপনার সাথে আপনার পরিবার-পরিজন জড়িত থাকে আর ব্যর্থতার প্রভাব শুধু যে আপনার জীবনেই পড়ে বিষয়টা তা নয়। ৩০ এর বেশি বয়সে ব্যর্থ হলে সমস্যাটাও বেশি তাই কোন কাজ আজকে কালকে করবো না ভেবে তাড়াতাড়িই শুরু করে দিন আর Fail Fast বিষয়টা মাথায় রাখেন। 

বয়স ৩০ এর কম থাকলে Start Up এর যেই থিওরিটা আছে মানে Fail Fast এটাতে দ্রুত শেখা যাবে। এই বয়সে মানসিক চাপ কম থাকার কারণে স্টার্ট আপ কম্পানি শুরু করা অনেক বেশি সহজ।

(৭) ভালো একজন মেন্টর খুজে বের করুন 

Find a good boss & Find a good mentor যাই বলি না কেন কথা সব একই। যার কাছে বা যার সাথে আপনি কাজ করলে অনেক কিছু শিখতে পারবেন তার সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করুন। আর এই যোগাযোগটা অনেক দ্রুতই করার চেষ্টা করুন। আপনি কোন কাজ নিজে নিজে শুরু করলে সেটাতে সমস্যা হতেই পারে আর আপনি যেই কাজ করবেন সেই কাজের জন্য যদি একজন মেন্টর খুজে নেন তবে আপনি সেই ভুলগুলো করার আগেই তা আপনাকে শিখিয়ে দেবেন তিনি। আমাদের দেশে যদিও এর প্রচলন নেই বললেই চলে তবে বাইরের দেশগুলোতে এর ব্যপক প্রচলন কারন তারা সব সময়ই কোন কাজের আগে তার সম্পর্কে ভালো কেউ মানে যিনি সেই বিষয়ে দক্ষ তার কাছ থেকে পরামর্শ নেন। 


Good mentor



এর একটা বড় সুবিধা হলো আপনি কোন কাজ যদি একটা মেন্টরের মাধ্যমে শুরু করেন তবে তিনি আপনাকে একটা গাইডলাইন দেবে যা আপনি মেনে চললে অনেক দ্রুত সফলতা আসবে। আমি আমাদের দেশের বা বাইরের দেশের ক্রিকেট টিমের একটা কোচের সাথে তুলনা করতে পারি বিষয়টা। একটা কোচ আপনাকে দল কিভাবে পরিচলনা করতে হবে আর কোন সময় কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেটা অনেক ভালো বলতে পারবে। একজন ক্যাপ্টেন থাকা দলে যেমন জরুরী তেমন আপনি কোন কাজ করবেন বা আপনার লাইফে একজন মেন্টর থাকাটা অনেক জরুরী বিষয়। একজন ভালো বস, একজন ভালো মেন্টর এবং একটা ভালো আইডিয়া বা কম্পানি তাহলে আপনি অনেক দ্রুত ভালো করতে পারবেন। 

(৮) ভ্রমন করুন 

সবশেষে বলবো ভ্রমন করুন। আমার মনে হয় আমাদের আগের জেনারেশান এতটা সুযোগ পাই নাই যতটা আমরা পাচ্ছি বর্তমান সময়টাতে কারণ আপনি যত বেশি মানুষের সাথে কথা বলবেন ততই শিখবেন। এখন তো পৃথিবীটা অনেক বেশি ছোট তাই আপনি যত দ্রুত বেশি ভ্রমন করতে পারবেন তত বেশি আপনার সার্কেল তৈরি হবে যা আপনার কোন কাজে সহযোগীতা পাওয়ার অন্যতম একটা কারন হতে পারে। আমি এখন ভ্রমন করা বলতে আপনাকে ফিজিক্যালি ভ্রমন করতে হবে বিষয়টা তা নয় আপনি নিজেকে Explore করার চেষ্টা করুন। হতে পারে সেটা আপনার কাজের মাধ্যমে হতে পারে সেটা আপনার নিজের কোন দক্ষতা প্রকাশের মাধ্যমে। এগুলো আপনাকে অনেক কিছুতে দক্ষ করে তুলবে। আপনি দেখে থাকবেন হয়তো আপনার বাইরের জগতটা যত বড় আপনি তা নিয়ে ততটা বেশি চিন্তা করতে পারবেন। আর এই চিন্তার জগতটা আমাদেরকে অনেক ভালো কাজ করার উৎসাহ দেয়। 


travelling


বর্তমানে আমাদের দেশেও এক স্থান থেকে অন্যস্থানে ভ্রমন করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। আপনি চাইলেই অনেক দ্রুতই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমন করতে পারবেন। আর মাঝে মাঝে অবশ্যই এই ভ্রমন করার বিষয়টা মাথায় রাখুন। কারণ কাজের ফাকে ব্রেক থাকাটা অনেক জরুরী বিষয় আমাদের জন্য। নিজেকে চারদিকে ছড়িয়ে দিলে নিজের কিছু সার্কেল তৈরি হবে যেটা থেকে আপনি কোন কাজে পরে অনেক ভালো সহযোগীতা পাবেন। আর বয়স ৩০ এর বেশি হয়ে গেলে এই বিষয়টা আপনি করতে পারবেন না কারণ তখন আপনি সময় ও সুযোগ কোনটাই পাবেন না। 

আমি উপরের ৮টি বিষয় বললাম আপনি উপরের বিষয়গুলো পড়ে নিজেই একটু সময় করে চিন্তা করুন তাহলেই বুঝবেন। এগুলো বোঝার জন্য আপনাকে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হবে না। আপনি এখন ছাত্র হ্যা এই বয়স থেকেই নিজের কোন কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি করে সেটা শুরু করে দিন তাহলেই দেখবেন একটা সময় আপনি সেই কাজের মাধ্যমে কোন একটা ভালো কিছু তৈরি করতে পারছেন। আর বয়স যত বেশি হবে কাজ শুরু করতে তত আপনার ভয় চলে আসবে। আপনি তত বেশি সমস্যায় পড়বেন। কারণ কম বয়স থাকলে সমস্যায় পড়লে অন্য কারো কাছে গিয়ে সহযোগীতা চাওয়া যায় যেটা বেশি বয়সে অনেক সময় হয়ে ওঠে না। 


আরো পড়ুন >> অ্যাফিলিয়েট মার্কেটি করে কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন।

আরো পড়ুন >> ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট হওয়া গাইড লাইন।

একটা ভালো আইডিয়া যেটা আপনি হয়তো শুরু করতে করতে অনেক সময় লেগে যাবে আর দ্রুতেই যদি শুর করে দেন তবে তার ফলটা আপনি অনেক বেশিই পাবেন। আমরা সাধারণত কোন কাজ বা কোন আইডিয়া নিয়ে ৩০ এর পরে গিয়ে চিন্তা করি। ৩০ আর আগে চাকরীসহ নানা কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করি। তবে আপনি যদি এই আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তবে আমি বলবো বয়স ৩০ হওয়ার আগে আগেই উপরের কাজগুলো করে ফেলুন দেখবেন ৩০ হলে আপনাকে আর বাড়তি টেনশান করতে হবে না। আর যাদের বয়স অলরেডি ৩০ হয়ে গিয়েছে তারাও দ্রুতই কাজগুলো করে ফেলুন এর সুবিধা অবশ্যই পাবেন আশা করি।


(ক) আরো পড়ুন >> কোভিডে শিশুদের পড়াশোনায় ইউনিসেফের ৫ পরামর্শ।

(খ) আরো পড়ুন >> কিভাবে জাভাস্ক্রিপ্ট শিখবেন।


যেই ভিডিও দেখে আর্টিকেলটি লিখা তা দেখার জন্য Click here একানে ক্লিক করুন।

Leave a Comment