মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন আয় করার ৭টি উপায়

মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন আয় করার ৭টি উপায়

 

অনলাইনে মোবাইলের মাধ্যমে কিভাবে আয় করা যায়। অনলাইন আয় করার জন্য মোবাইল কি উপকারে আসতে পারে তা জানার জন্য নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন। মোবাইলের মাধ্যমে সহজে আয় করুন সামান্য কিছু জ্ঞান অর্জন করে।

 

 

করোনা কালে আজ মানুষ তার নিজের কাজের মধ্যে থেকে ধীরে ধীরে কর্ম হারাচ্ছে। অধিকাংশ মানুষ হতাশার মধ্যে দিন রাত অতিবাহিত করছে।

 

 

 

মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন আয় করার ৭টি উপায়



 

 

অনেক মানুষ যেমন সে সারাদিন মোবাইলের মাধ্যমে তার মূল্যবান সময় নষ্ঠ করছে। অথচ তার একটি সঠিক দিক নির্দেশনা না থাকার কারণে সে জানতেই পারছে না যে, তার মাধ্যমেই হয়ত অনেক অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

 

 

অযথা বিনা কারণে সারাদিন মোবাইল চালিয়ে অর্থ ও সময় নষ্ঠ না করে একটি আয় করার পদ্ধতি বের করে নিলে তার সময় ও অর্থ দুটোই হলো।

 

 

উন্নত বিশ্বের মানুষ তারা এমনেতেই ধনী হয়নি। ধনী বা সম্পদশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করা দরকার।

 

 

পরিশ্রম করা ছাড়া কখনই ধনী হওয়া যায় না।কিছু উদ্যমী মানুষ তার নিজ বর্তমান পেষা হারিয়ে অলসভাবে না থেকে ভিন্ন ধর্মী কাজের মধ্যে অর্ন্তভূক্ত হচ্ছে।

 

 

আরো পড়ুন >> গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত ওয়েবসাইটের স্পিড কমে যাওয়ার কারণ।

 

 

মোবাইলের মাধ্যমে কেন সহজে আয় সম্ভব ?

 

তথ্য প্রযুক্তির যুগে তথ্য নিয়ে কাজ করা উচিত। আর মোবাইল অনেক আপডেট বর্তমানে আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে ব্যাংকের জাবতীয় লেনদেন করা যাচ্ছে। তাহলে কেন সম্ভব নয়। অবশ্যই সম্ভব মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করা সম্ভব।

 

১. বর্তমানে ইনটারনেট ব্যবহারকারী দেশগুলোর মানুষ কাজ শেষে অবসরের অধিকাংশ সময় ব্যয় করে মোবাইলের মাধ্যমে।

 

তারা কোন না কোন Games এর মধ্যে সময় ব্যয়  করছে। অথবা কেউ Facebook  ব্যবহার করছে অথবা Youtube  চালাচ্ছে।

 

 

২. অধিকাংশ মানুষ তার কাজগুলো সহজ করার জন্য অনলাইন করে নিচ্ছে। তাছাড়া ছোট ছোট শিশুরা এখন তাদের সময় গুলো ঘরে ব্যয় করে। শিক্ষিত গৃহিণীরা অবসর সময় মোবাইলে ব্যয় এখন পছন্দনীয়।

 

 

৩. অনলাইনে কাজ এখন সহজ সরল হয়েছে। দূরের কাজ হয়েছে কাছে এবং দ্রুত।

 

মোবাইলের  মাধ্যমে আয়ের কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম নিচে দেয়া হলো:

 

 

১.  Facebook পেজ বুস্টিং

 

আজকাল মানুষের অবসরের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো Facebook.  তাই এই জনপ্রিয় মাধ্যমটিতে মানুষ সহজে সকলের নিকট জনপ্রিয় অথবা জনপ্রিয় হারাচ্ছে। অনেক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তারা তাদের দ্রুত পরিচিতির জন্য এখন Facebook প্রচার চালাচ্ছে।

 

 

Facebook  এর মাধ্যমে প্রচার করতে হলে বুস্টিং এর প্রয়োজন।বুস্টিং কি? কিভাবে বুস্টিং করতে হয় তা ইন্টারনেটে বিস্তারিত দেয়া আছে।

 
 

২. ছবি বিক্রয়ের মাধ্যমে

অনেকের ছবি তোলা একটি সখের বিষয়। এই সখই হতে পারে আপনার একটি ইনকাসমর মাধ্যম। বর্তমানে  জনপ্রিয় মাধ্যম হলো  Facebook  আর এই জনপ্রিয় মাধ্যমে দেখা যায় কত কত সুন্দর ছবি।

 

ই ছবি সু্দর হওয়ার জন্য দরকার ভালো মানের একটি মোবাইল। বিভিন্ন সময় অনেক কোম্পানি তাদের কিছু সুন্দর দরকার। 

 

 

৩. ডেলিভারি সার্ভিস

 

বর্তমানে ডেলিভারি সার্ভিস ব্যবসা অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মানুষ তার পছন্দের পণ্যগুলো  অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসে পেতে পছন্দ করছে।তাছাড়া এখন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন উপায়ে ডেলিভারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁচাইতেছে।

 
 

৪.ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসায় করে

 

ফেসবুক এখন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। আজকাল যেন ফেসবুক ছাড়া মানুষের দিন শুরুই হয় না। সকলের বিনোদনের মাধ্যম, ছবি আপলোডের মাধ্যম, প্রিয় সময় শেয়ার করার মাধ্যম আরও কত কী।

 

 

তাই এই জনপ্রিয় মাধ্যমে আপনি যদি সহজে ব্যবসায় পরিচালনা করতে চান তাহলে এখন সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

 

প্রথমে আপনি কোন এলাকায় থাকেন। সেই এলাকা যদি অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত হয় (যেমন: উত্তরা, বনানী, ধানমন্ডি) তাহলে এই এলাকাগুলোর মানুষ তাদের বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় (যেমন: রেস্টুরেন্ট খাবার, কৃষি পণ্য- পাঁকা

 

বিষ মুক্ত ফলমূল, তাজা নদীর মাছ ইত্যাদি) ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচার করা যায়।

 

অনেক নতুন ব্যবসায় যা আপনি একাই উদ্যক্তা। সেই ব্যবসার দ্রুত প্রসার করা যায়। 

 
 

৫. ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটর্সোসিং এর মাধ্যমে

 

ফ্রিল্যাসিং বর্তমানে অতি পরিচিত একটি নাম। অনেকে হয়ত এর নাম নতুন শুনছে। ফ্রিল্যান্সিং এখন অনেকের কাছে প্রিয় পেশা হচ্ছে। তার প্রধান কারণ হলো ফ্রিল্যাসিং একটি স্বাধীন পেশা।

 

যে কেউ তার নিজের মনের মত অথবা কাজের ধরণ অনুযায়ী স্বাধীন ভাবে করতে পারে। অনের তরুণ এখন ফ্রিল্যান্সি পেশা হিসেবে গ্রহণ করছে। সে যেমন তার পড়াশুনা ঠিক রেখে সময় অনুযায়ী কাজ করে থাকে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর দেশ এই বাংলাদেশ।

 

 

এক সময় মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাওয়া অনেক কঠিন ছিল। কিন্তু আজকাল ইনটারনেট সেবা এত কঠিন না। চাইলেই যে কেউ ফ্রিল্যাসিং শিখে সহজে করতে পারে।

 

 

আউটর্সোসিং: অনেকে আবার প্রশ্ন করে যে আউটর্সোসিং আর ফ্রিল্যাসিং কি একই রকম? তাহলে তার উত্তর হচ্ছে না। তাহলে প্রশ্ন হলো আউটর্সোসিং কি? উত্তর হলো: মনে করুন আপনার একটি প্রতিষ্ঠান আছে ইতালিতে।

 

 

এ প্রতিষ্ঠানের কিছু অনলাইনের গ্রাফিকের কাজ করতে হবে। কিন্তু একাজ করার জন্য একজন লোক লাগবে। কিন্তু ইতালির মত জায়গায় একজন লোক নিয়োগ করে তার বেতন দেওয়া ব্যয় বহুল। তখন একাজ অন্য কোন দেশের মানুষ কে দিয়ে কম খরচে করান হলো আউটর্সোসিং।

 

 

আরও সহজভাবে বলা যায়, নিজের কোম্পানির কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করান হলো আউটর্সোসিং।

 

 

তাই উন্নত দেশগুলো যেমন- আমেরিকা, ইউরোপ দেশসমূহ তাদের বিভিন্ন ওয়েবডিজাইনের কাজগুলো আমাদেরমত উন্নয়শীল দেশের মানুষের মাধ্যমে করিয়ে নিচ্চে। এতে করে তারা যেমন বেশি লাভবান হচ্ছে তেমনি দিন দিন আমাদের দেশের লোক দক্ষ ও অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল হচ্ছে।

 

 

তাই আমাদের দেশে এখন অনেকে বিভিন্ন আউটর্সোসিং প্রতিষাঠান খুলছে। তাই আর দেরি নয় কংবা অলস জীবন নয়। কাজই হোক প্রতেক মানুষের পরিচয়। আউটর্সোসিং সর্ম্পকে যদি আর কোন তথ্য না জানা থাকে তাহলে  You Tube থেকে জেনে নিতে পারেন।

 

 

৬.রিসেলিং এর মাধ্যমে ব্যবসায়

 

যদি আপনার মনে হয় যে ব্যবসায় করবেন কিন্তু বর্তমানে আপনার কাছে ব্যবসায়ের বেশি মূলধন নাই। তাই কি আপনার ব্যবসায় বন্ধ? উত্তর- হলো- না। আপনিও পারেন ব্যবসায় করতে এই রিসেলিং এর মাধ্যমে। তাহলে এখন আসি যে, রিসেলিং ব্যবসায় কি?

 

 

উদাহরনসরূপ– যদি আপনার পাশে  Wholesaler  কোন  ব্যবসায় থাকে, তারা যেমন তাদের পণ্যগুলো পাইকারী বিক্রয় করে। সেই পণ্যের বিভিন্ন  ছবি আপলোড করে Facebook দিয়ে বিক্রয় করে। তারপর সেই পণ্য তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে পরে ডেলিভারি দিয়ে আপনি ব্যবসায় করতে পারেন।

 
 

৭. ব্লগিং এর মাধ্যমে আয়

আজকাল অনেকের মাধ্যমে জানা যায় যে, তারা ব্লগিং করছে। সেই ব্লগিং করে আবার নাকি ভাল আয় করছে। তাহলে কি এটা সত্য ?

 

যে ব্লগিং করে আবার আয় কি আয় করা সম্ভব? সত্যিই বন্ধুরা এখন অনেকে ব্লগিং করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। শুধু তাই নয়, অনেকে তার সাভাবিক চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্লগিং এর কাজ শিখে স্বাধীন ভাবে কাজ করছে।

 

 

কিছুদিন আগেও অনেক ছাত্র ছাত্রী টিউশনির পিছনে অনেক সময় ব্যয় করতো। কিন্তু এখন ব্লগিং সহজ ও জনপ্রিয় হওয়ার কারণে তারা এই ব্লগিং করে ভাল আয় করছে। 

 

 

ব্লগিং কি: ব্লগিং হলো এমন কোন কঠিন কাজ না। তবে এই ব্লগিং এর পিছনে সয়ম প্রয়োজন। আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম প্রয়োজন অনুযায়ী সার্চ করে থাকি।

 

এই সার্চ বিষয় বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও পেয়ে থাকি। এই তথ্যগুলো কোন কোন ব্যক্তির লেখা।

 

 

তাই ঐ বিষয় ভিত্তিক যে লেখা থাকে তাই ব্লগিং। ব্লগিং সর্স্পকে ইন্টারনেটে বিভিন্ন রকম আলোচনা আছে। 

 
 

মোবাইলের মাধ্যমে বর্তমানে তরুণ আজ নষ্ঠ হওয়ার পথে। তারা শুধুমাত্র মোবাইলের খারাপ দিকটার দিকে ঝুকছে। অনেক অভিবাবক এখন তাদের চিন্তার বিষয় যে তারা কিভাবে তাদের ছেলে মেয়েদের সঠিক পথে নিয়ে আসবে।

 

 

তাই বন্ধুরা আজ সময় এসেছে মোবাইলের খারাপ দিকটাকে ফেলে দিয়ে তার মাধ্যমে কিছু পরিমমান ও যদি আয় করা সম্ভব তাহলে খারাপ কী? এতে করে নিজে যে ভাবে লাভবান হবে, ঠিক তেমনি ভাবে দেশ পাবে একটি সঠিক ব্যক্তি যে কি না নিজ ও পরিবারের জন্য উপকারী। অনেক ধন্যবাদ মূল্যবান সময় নিযে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য।

 

 

Leave a Comment