ব্লগিং এর জন্য ডোমেইন কেন কিনবেন

Why master Domain is need for Blogging ? Blogging Domain is important but why ? Without master domain blogging success is very difficult.  ব্লগিং এর জন্য ডোমেইন কেন কিনবেন।


ব্লগিং এর জন্য ডোমেইন কেন কিনবেন



ব্লগিং করার জন্য মাস্টার ডোমেইন থাকা কি জরুরী ?

আগে জানতে হবে ডোমেইন কি ? ধরুন আমার এই সাইটে আপনি ্প্রবেশ করবেন তো আমার সাইটের নাম আপনি গুগলে লিখলেন digitalitseba তাহলেই আপনি আমার সাইটে প্রবেশ করতে পারবেন। এটাকেই মাস্টার ডোমেইন বলে। অর্থ্যৎ www. এর পরে এবং .com এর আগের অংশটুকুকেই বলে মাস্টার ডোমেইন। 


আরো পড়ুন >> সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি টিপস।


বর্তমানে অনেকেই ব্লগিং এ আসতেছে আর তাই ব্লগারে ফ্রি ডোমেইনে আর আগের মত কাজ তেমন হচ্ছে না। এক কথায় যদি বলি তবে বলতে হবে যে, ফ্রি ডোমেইনে আপনি এ্যাডসেন্স পেতে অনেক সময় লাগবে আর মাস্টার ডোমেইন হলে আপনি অনেক সহজেই পেয়ে যাবেন গুগল অ্যাডসেন্স। তাই আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ হবে একটা মাস্টার ডোমেইন কেনা। 


আরো পড়ুন >> ব্লগারে পোস্ট ইনডেক্স করার নিয়মাবলি জেনে নিন।


মাস্টার ডোমেইনের সুবিধা কি ? 

আপনি ব্লগিং করার সময় SEO করবেন আর এই SEO করার জন্য আপনাকে একটা মাস্টার ডোমেইন থাকতে হবে যেটা থাকলে আপনি অনেক সহজেই আপনার পোস্টগুলোকে গুগলে র‌্যাংক করাতে পারবেন। আর মাস্টার ডোমেইন না থাকলে এই কাজটা করা অনেকটাই কঠিন হবে আপনার জন্য। 


গুগলে পোস্ট ইনডেক্স করানো থেকে শুরু করে দ্রুত আপনার সাইটকে সামনে নিয়ে আসাসহ আরও কিছু কাজ মাস্টার ডোমেইনের মাধ্যমে সহজেই করা যায়। তাই অনেকেই ব্লগিং করার জন্য ফ্রিতে ডোমেইন ব্লগার থেকে পেলেও মাস্টার ডোমেইন কেনার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 


আরো পড়ুন >> বেশি বেশি ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করবেন।


মাস্টার ডোমেইন না কিনে ব্লগিং শুরু করার অসুবিধা কি ?

আসলে মাস্টার ডোমেইন যে কিনতেই হবে বিষয়টা তেমন নয়। তবে আপনি একটা জিনিস লক্ষ করুন আপনি ফ্রিতে যে ডোমেইন পাবেন সেটা কিন্তু আপনা পছন্দমত হবে না। যেমন, আপনার পছন্দের নামের পরে ব্লগারের নামসহ .com যুক্ত করা থাকবে যেটা আসলে সার্চ দিয়ে বের করা অনেকটাই কঠিন সাধারণ ইউজারের জন্য। 


অসুবিধার মধ্যে অন্যতম হলো আপনি সহজেই যদি গুগলে নিজের সাইটাকে Rank করাতে চান অথবা অনেক কম সময়ে যদি গুগলে নিজের সাইটের পোস্টগুলো ইনডেক্স করাতে চান তবে আপনাকে একটা মাস্টার ডোমেইন কাজটা সহজেই করে দিতে পারবে। 



মাস্টার ডোমেইন ছাড়া কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে না ?

বিষয়টা আসলে এমন না আপনি ফ্রি ডোমেইনেও অ্যাডসেন্স পাবেন তবে সেটার জন্য আপনাকে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। 


ফ্রি ডোমেইনের অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করার জন্য অনেক বেশি সময় লাগে যেটা বর্তমানে অনেকেই এত সময় দিতে চায় না তাই একটা মাস্টার ডোমেইন যুক্ত করে দেয়। 



আরো পড়ুন >> গুগল অ্যাডসেন্স কি ? অ্যাডসেন্স পাওয়ার শর্তসমূহ কি ?


মাস্টার ডোমেইন আর কিছু ইউনিক পোস্ট থাকলে আপনি অনেক সহজেই পেয়ে যাবেন গুগল এ্যাডসেন্স। তাছাড়া আপনি ইচ্ছা করলে অ্যাফিলিয়েটিং মার্কেটিং ও করতে পারবেন এই মাস্টার ডোমেইনের মাধ্যমে। 



কিভাবে ডোমেইনের নাম নির্ধারণ করবেন ?

ডোমেইনের নাম নির্ধারণের জন্য আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। আমি ৫টি বিষয় উল্লেখ করছি এখানে। 


(ক) বিষয়বস্তু 

আপনি যে বিষয়ে লিখবেন বা ব্লগিং করবেন সেই বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকে এমন একটা ডোমেইন নাম নির্ধারণ করবেন। 


(খ) ডোমেইনের দৈর্ঘ্য 

অবশ্যই ডোমেইনের দৈর্ঘ্যটা একটু ছোট রাখতে এতে করে গুগলে সার্চ করতে সুবিধা হবে ইউজারদের জন্য। 


(গ) কিওয়ার্ড 

কিওয়ার্ড অনেক বড় একা বিষয় সহজেই যদি বলা হয় তবে আপনি এমন একটা ইউনিক শব্দ ব্যবহার করবেন যেটা আসলে এর আগে ছিল না। তাহলে গুগল নতুন শব্দ হিসেবে সেটাকে গ্রহণ করে নেবে দ্রুত। 


আরো পড়ুন >> ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শেখার গাইডলাইন।


(ঘ) ব্র্যান্ড ভ্যালু 

ব্র্যান্ড ভ্যালু বলতে আপনার ডোমেইনের নামসহ যেই বিষয়ে লিখবেন সেটা যেন একটা ভালো মূল্যায়ন পায় ইউজারের কাছে। 


(ঙ) এক্সটেনশান 

এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যেই ধরনের ব্লগিং করবেন আর যেই বিষয়গুলো নিয়ে লিখবেন সেই ধরনের এক্সটেনশান নির্বাচন করবেন। যেমন, বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় Extension হলো .com এই ধরনের একটা ভালো দেখে নির্বাচন করবেন। 


উপরের ৫টি বিষয় লক্ষ্য রেখে আপনি ডোমেইনের নাম নির্ধারণ করবেন তাহলে অনেক ভালো করতে পারবেন ব্লগিং এ। 


আরো পড়ুন >> ব্লগার কি ? ব্লগিং নিয়ে পরিপূর্ণ গাইডলাইন।



ডোমেইনের নাম নির্ধারনের জন্য যে সকল বিষয় এড়িয়ে চলবেন

(+) অন্য কারো নাম এরকম আছে এমন নাম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন এতে করে কপিরাইট নোটিশ আসতে পারে। 

(+) একই লেটার একাধিকবার ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন। 

(+) অনেক বড় নাম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। 

(+) (-) হাইফেন দেওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন। কারণ স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করে এই ধরনের হাইফেনকে। 


আরো পড়ুন >> বাংলায় আর্টিকেল লেখা নিয়মগুলো জেনে নিন।


কেনা ডোমেইনের সুবিধাগুলো কি কি ?

(+) সহজেই গুগলে Page & Post Rank করানো যায়। 

(+) স্পিড বেশি পায় ফ্রি ডোমেইনের চাইতে। 

(+) ইউজার ইউজেবল হয় অনেক বেশি। 

(+) গুগলে পোস্ট ইনডেক্স অনেক দ্রুত হয়। 

(+) অনেক দ্রুত গুগল এ্যাডসেন্স পাওয়া যায় কিছু ইউনিক পোস্ট থাকলেই।

(+) সাইটের ব্রান্ডিং করা যায় দ্রুত ও সহজেই করা যায়। 



আরো পড়ুন >> অনলাইনে আয় করার ১০টি উপায় জানুন।


উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরও কিছু বিষয় এর জন্য আপনাকে একটা মাস্টার ডোমেইন কেনা উচিত। আশা করি বুঝতে পেরেছেন কেন একটা মাস্টার ডোমেইন কেনা উচিত বিষয়টা। কোন সমস্যা থাকলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন চেষ্টা করা হবে জানানোর জন্য। অনেক ধন্যবাদ মূল্যবান সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। 

Leave a Comment