বিটকয়েন কী ও এর ইতিহাস || History Of Bitcoin

Cryptocurrency কী ? বিটকয়েন কী ও এর ইতিহাস। History Of Bitcoin. বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম ভারচুয়াল কারেন্সি বলা হয় কিপ্টোকারেন্সীকে। বিটকয়েন যাকে ডাকা হয় শারীরিক কোন লেনদেন না থাকলেও এই মুদ্রা বর্তমান পৃথিবীর লেনদেনের অন্যতম একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। 


History Of Bitcoin



ডিজিটাল লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পেয়ার টু পেয়ার লেনদেরন মাধ্যমে ব্যবহৃত মুদ্রার মধ্যে বিটকয়েন অন্যতম। 


বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সী কি ?

বিটকয়েন একটা কারেন্সী যা কাগজে ছাপা হয় না। এটি সোনা, তামা, রূপার মতই না অথচ এর দাম অনেক। এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সী যা দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। ইন্টারনেটে এর কেনার বেচা অনেক বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। 


বিটকয়েন সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে। বিটকয়েনের কোন ফিজিক্যাল ব্যাংক নেই, নেই কোন মুদ্রা, আবার নিয়ন্ত্রণ করার মত কোন দেশও নেই। বাজারে কত বিটকয়েন আছে সেটিও জানার কোন উপায় নেই। 


জানা যায় যে, অর্থ লেনদেনের বা অবৈধ লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই ক্রিপ্টোকারেন্সীকে বা বিটকয়েনকে। 


বিটকয়েন তৈরি ঘটনা

জানা যায় যে, ২০০৮ সালের দিকে সাতোশি নাকামাতো নামক একজন ব্যক্তি প্রথম বিটকয়েন এর ধারণা দেন। তিনি এটিকে পেয়ার টু পেয়ার লেনদেনের একটা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা এবং অনলাইনে পেমেন্ট প্রদানের একটা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন এবং এটি ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন। 


Electronic Cash System নামক একটা পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই বিটকয়েনকে। মাইনিং নামের এক ধরনের সপ্টওয়্যার তৈরি করা হয় বিটকয়েনের জন্য আর সাতোশি ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে প্রথম একটি বিটকয়েন দিয়ে যাত্রা শুরু করেন এই বিটকয়েনের বা ক্রিপ্টোকারেন্সির। যদিও সাতোশিই তৈরি করেছিলেন সেটা এখনও অজানা কারণ সাতোশি নাকামাতে নামক কোন ব্যক্তির সন্ধান আজও পাওয়া যায় নাই। 


২০০৯ সালের দিকে একটি বিটকয়েনের দাম ছিল ১ ডলার যা বর্তমানে ৫৮ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় হিসেব করলে অনেক দাম হবে। যদিও আমাদের দেশে বিটকয়েনের লেনদেনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ প্রায় ৫০টির বেশি দেশে বিটকয়েনের প্রচলন রয়েছে। 


ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন 

বিটকয়েনকে ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিবেচনা করা হয় বর্তমানে। আর এই বিটকয়েনের দাম দিনের পর দিনে বেড়েই চলেছে। নেই কোন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তারপরেও মানুষের আগ্রহ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা টেসলার CEO ইলন মাস্ক সাম্প্রতি বিটকয়েন কেনার ঘোষণা দেওয়ার কারণে বেড়েই চলেছে দাম। আর আমেরিকাসহ আরও কিছু দেন বিটকয়েন এর মাধ্যমে লেনদেন চালু রাখার কারণে এর দাম ও ব্যবহার দিনদিন বাড়তেছে। 


যদিও কোন ফিজিক্যাল লেনদেন করার কোন মাধ্যম নেই তারপরেও এর দাম এতটাই বেড়েছে বলার মত না। আরও বিনিয়োগ হচ্ছে বিকয়েনের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কিছু দেশ বিটকয়েনে বিনিয়োগ করার কারণে বিনিয়োগ কারীদের মধ্যে এর ব্যবহার দিন দিন বাড়তেছে বলে ধারণা করেন গবেষকরা। 



বিটকয়েনের মূল্য ও ব্যবহার 

প্রতি ঘন্টায় বিটকয়েনের দাম বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশী টাকায় ৪৪ লক্ষ প্রায় বর্তমানের একটা বিটকয়েনের দাম আবার অনেক সময় আরও বেশি। যদিও এর দাম ক্রমেই বাড়ে আবার কমে। করোনাকালে অন্য সকল মুদ্রার বাজার হ্রাস পেলেও বিকটয়েনের দাম বেড়েই চলেছে। 


ফিজিক্যাল কোন ব্যাংক না থাকার কারণে এর একসিস নেওয়াটাও অসম্ভব বলে ধারণা করা হয়। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কেউ এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তবে আগামীতে বিটকয়েনের দাম বাড়বে বলে অনেক গবেষক মনে করেন। আমাদের দেশে যদিও বিটকয়েনের মাধ্যমে লেনদেন করা সম্ভব না তারপরেও এর দাম বেড়েই বলেছে। 



বিটকয়েন যেভাবে কাজ করে থাকেে

বিটকয়েন পেয়ার টু পেয়ার এর মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। অর্থ্যৎ এক ওয়ালেট থেকে আরেক ওয়ালেটে এটি ট্রান্সফার করা হয়। বিটকয়েন লেনেরদ জন্য প্রাইমারি বা দুই ধাপে সিকিউরিটি দিয়ে থাকে। পাবলিক ও প্রাইভেট দুই ভাবেই কাজ করে এটি। আপনি যখন বিটকয়েন একাউন্ট তৈরি করবেন জেনারেল কিছু তথ্য দিলেই হবে আর আমাদের দেশের জন্য একটা জিমেইল ও একটা নাম্বার হলেই যথেষ্ট। 


প্রথমে আপনি জিমেইল দিয়ে লগইন করবেন তারপর আবার মোবাইল নাম্বারে কোর্ড আসবে সেটিও দিতে হবে এই ভাবে বিটকয়েন্ট একাউন্ট চলে। অর্থ্যৎ আপনি চাইলেও একটি হ্যাক করতে পারবেন না আর পারলেও আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ নাম্বার ও জিমেইল দুইটাই আপনার কাছে অন রাখতে হবে বিটকয়েন একাউন্ট বা ওয়ালেট ব্যবহার করার জন্য। 


এই সিকিউরিটির জন্যই বর্তমানে হয়তো বিটকয়েনের লেনেদের জনপ্রিয়তা বাড়তেছে। আসলে বিটকয়েন একটা সময় এতটা জনপ্রিয় ছিল না আর বর্তমানে আমরা সিকিউরিটি নিয়ে অনেক বেশি সচেতন যার ফলে বিটকয়েনের মত সিকিউরিটি অন্য কোন কারেন্সী দিতে পারে না বিধায় এতটা বেশি আগ্রহী মানুষ এটি ব্যবহার করার ব্যপারে। 


বিটকয়েন জনপ্রিয় হবার কারণ

বিটকয়েন জনপ্রিয় হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ আছে। যেমন, 


সহজেই একা্উন্ট করা যায় এখানে। বিটকয়েনের জন্য আপনাকে অনেক বেশি জটিল প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতে হবে না অন্যন্যা কারেন্সির মত। তাই হয়তো এটি অনেকেই ব্যবহার করে। 


সিকিউরিটির দিক থেকে অনেক বেশি ভালো। বিটকয়েনের মত সিকিউরিটি আর কোন কারেন্সীতে নেই। যার কারণে ব্যবহার কারীরা এটি অনেক বেশি পরিমাণে ব্যবহার করছে। 


গোপণীয়তা রক্ষা করার অন্যতম মাধ্যম বিটকয়েন। আপনি কাকে আর আপনার কোন তথ্যই থাকবে না কারো কাছে বা বিটকয়েন কম্পানির কাছে এটি শুধুমাত্র আপনার একাউন্ট এই থাকবে বিধায় অনেকেই এটাকে গোপনীয়তার অন্যতম একটা মাধ্যম হিসেবে লেনদেন করে থাকে। 


বিটকয়েন অনেক বেশি স্বচ্ছ। স্বচ্ছতার কারণেও অনেকেই এটি ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিকটয়েনের কোন বিকল্প নেই। 


স্পিড অনেক বেশি। লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত পেমেন্ট বা ট্রান্সফার হয়ে বিটকয়েনের মাধ্যমে। এটি পেমেন্ট করার কয়েক মিনিটের মধ্যই চলে যায়। 



বিটকয়েনের অসুবিধা গুলো জানুন 

(১) কোন কারণে লেনদেন অসম্পূর্ণ হলে আর গ্রহীতা যদি পেমেন্ট না পান তবে তা আর ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা নেই। 

(২) বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে বিটকয়েন স্থিতিশীল নয়। 

(৩) ওয়ালেট একবার হারিয়ে গেলে তা আর ফেরত পাওয়ার কোন আশা নেই। 

(৪) প্রচলিত মুদ্রার বাইরে বলে এটির ব্যবহার অনেক বেশি স্লো। 

(৫) কোন ক্রেডিট সুবিধা নেই। যদিও এটি ভালো তারপরেও বর্তমানে ক্রেডিট নির্ভর পৃথিবীতে ক্রেডিটের মাধ্যমেই বেশি পেমেন্ট করা হয়ে থাকে। 


কারা বেশি ব্যবহার করে বিটকয়েন

নাসার গবেষণা মতে বর্তমান পৃথিবীর ৩০ হাজার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এই বিটকয়েন ব্যবহার করে থাকে। মার্কিন কম্পানি টেসলা মোটরস, ওয়ার্ডপ্রেস, সহ আরও অনেক দামী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এটি ব্যবহার করে থাকে। সাম্প্রতি টেসলা কম্পানি বিটকয়েনের মাধ্যমে লেনদের জন্য বিটকয়েন কেনার পরিকল্পনাও করেছে। 


ধারণা করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় লেনদেনেগুলোই করা হয় এই বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সীর মাধ্যমে। টরেন্ট ও ডেটিং ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে এই ক্রিপ্টোকারেন্সী। 



বিটকয়েনের ব্যবহার বৈধতা

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সালে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এটি অবৈধ বলে ঘোষনা দেয়। এটির যেহেতু কোন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা নেই। আবার এখানে বিনিয়োগ করলে তার কোন জবাবদিহিতাও নেই তাই বিটকয়েন আমাদের দেশে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয় সরকার কর্তৃক। 


বিভিন্ন সংস্থ্যা এটি বৈধত্য প্রস্তাব করলেও বর্তমানেও এটি অবৈধ আমাদের দেশের প্রচলিত আইনে। সন্ত্রাস বিরোধী আইন ও মানি লন্ডারিং ি১৯৪৭ সালের আইনে এটি অবৈধ এবং এর কোন বাণিজ্যিক প্রচার বা লেনদেন আমাদের দেশে সম্পূর্ণ অবৈধ। যদি বর্তমানে এটির ব্যবহার বিভিন্ন ভাবে বাড়তেছে তারপরেও এটির জন্য আরও কিছু ব্যবস্থা আমাদের দেশে নেওয়া উচিত। 



ফিউচার মানি হিসেবে বিটকয়েনের প্রভাব কতটুকু 

অনেক গবেষক মনে করেন সামনের দিকে এই বিটকয়েন ফিউচার মানি হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। কিভাবে হতে পারে তার একটা উদাহারণ দেওয়া যেতে পারে। যেমন, ২০০৯ এর শুরুর দিকে একটা বিটকয়েনের দাম ছিল ১ ডলারের চাইতেও কম যা ২০১৩ সালে ১০ হাজার ডলার আসে। ২০২০ সালের শুরুর দিকেও এটি ছিল সাড়ে সাত হাজার ডলার। কয়েক মাসের ব্যবধানে তা আসে ২৭ হাজার ডলারে। 


আর বর্তমানে একটা বিটকয়েনের দাম ৫৮ হাজার মার্কিন ডলার। যদিও এর দাম কমে আবার বাড়ে তবে আগামীতে এটার দাম বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে। কারণ বিভিন্ন বিনিয়োগ কারী সংস্থা এখানে বিনিয়োগ করছে এমনকি আত্মরজার্তিক শেয়ার বাজার আমেরিকাতেও এটা ব্যবহার করা হচ্ছে নিয়মিত। যার কারণে বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে হয়তো একটা সময় যেসব দেশ বিটকয়েন ব্যবহার করার অনুমতি দিতো না তারাও দিতে বাধ্য হবে কারণ আত্মর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এটার কোন বিকল্প থাকবে না হয়তো একটা সময় ধারণা করা হচ্ছে। 


একটা হিসেব করলে দেখা যাবে যে, আপনি ব্যাংকে টাকা রাখলে বাড়ে আর এখানেও তেমনটাই হয় অবশ্য মাঝে মাঝে কমেও যায় তবে সঠিক বলার উপায় নেই কখন বাড়ে আর কখন কমে। তবে ধারণা করা হচ্ছে অর্থলেনদেন বাড়ার সাথে সাথে এটির লেনদেন যখন বৃদ্ধি পাবে তখন এটির দাম বাড়বে আর যেহেতু এই বাজারের কোন স্থিতিশীলতা নেই সেহেতু বিনিয়োগ কারীদেরকে বিনিয়োগ করার সময় একটু সাবধানে করতে হবে কারণ এখানে বাজার নেমে গেলে অভিযোগ করার কোন ব্যবস্থা নেই। 



কেন আমরা বিটকয়েন সম্পর্কে জানবো ?

আধুনিক যুগ হলো বিজ্ঞানের যুগ বা ডিজিটালাইজ যুগ। আর এই ডিজিটাল যুগে আমাদেরকে ডিজিটাল সকল বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা থাকতে হবে। লেনদেনের অন্যতম একটা মাধ্যম হিসেবে সামনে হয়তো আবিভূত হবে এই বিটকয়েন তাই এটি সম্পর্কে আমাদের ধারণা রাখাটা অনেক জরুরী বিষয়। তাছাড়াও আত্মজার্তিক ভাবে যত অবৈধ লেনদেন আছে ধারণা করা হয় তা সব এই বিটকয়েনের মাধ্যমে হয়ে থাকে কারণ এখানে আপনার ট্রান্সফার ও মানি অনেক বেশি নিরাপদ আর সিকিউর। 


আপনার একাউন্ট বা টাকা কেউ চাইলেই নিয়ে নিতে পারবে না। কারণ অন্যন্যা ব্যাংকের বা মুদ্রার লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব তবে এটা সম্ভব না। তবে নিরাপদ যেমন তেমনি রিক্সি কারণ কখনও কখনও মুদ্রার মালিকও বেকায়দায় পড়তে পারে ব্যবহার বিধি না জানা থাকার কারণে। যদিও এখনও কোন সমস্যা দেখা দেয় নাই তারপরেও দিতে পারে সামনে তাই আমাদেরকে অবশ্যই জেনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এটি সম্পর্কে। 



বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ কি হতে পারে

২০০৯ সালে শুরু থেকে বর্তমানে যেভাবে এটি মার্কেট প্লেসে অগ্রসর হয়েছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটা মুদ্রা হতে পারে এই বিটকয়েন। কারণ এখানে অনেকগুলো বিষয় কাজ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো ডেটা ও সিকিউরিটি। হয়তো এমন হতে পারে পৃথিবীর সব বড় বড় লেনদেন এই বিটকয়েনের মাধ্যমে হবে আর ছোটছোট লেনদেনগুলো অন্যন্যা মাধ্যমে হবে যদিও বর্তমানে ছোট ছোট লেনদেন এই বিকয়েনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 


তবে ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ অনেক ভালো বলা চলে। যদিও ক্রেডিট সুবিধা নেই তবে হয়তো নিয়ন্ত্রণ সংস্থা চলে আসলে একটা সময় হলেও হতে পারে। তবে এর তৈরিকৃত দেশ ও কে নিয়ন্ত্রন করবে এসব বিষয় অজানা তাই হয়তো রহস্যময় মুদ্রা হিসেবে একটা সময় পৃথিবীর বাজারে এর একটা প্রভাব থাকবে যা অনেক বড় হবে আগামীতে। 


মানুষ রহস্যে অনেক বেশি আকৃষ্ট হয় আর যার কারণেই ধারণা করা হচ্ছে বিটকয়েন একটা সময় অনেক বড় মার্কেট প্লেস বা বিনিয়োগের অনেক বড় একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে আগামীতে। আর একটা মার্কেট বড় হবে না ছোট হবে তা বিনিয়োগকারীদের উপর নির্ভর করে অনেকাংশ। 



কেন বাড়তে পারে বিটকয়েনের ব্যবহার ?

বিটকয়েনকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সী। একটা অ্যালগোরিদমের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সীর লেনদেন চালনা করা হয়। আর এই ধরণের ক্রিপ্টোকারেন্সী লেনদেনের জন্য ৩য় পক্ষের কোন হাত থাকে না মানে কেউ নিয়ন্ত্রণ করার থাকে না। আর ইনক্রিপ্ট ডাটা থাকে বলে কেউ এটা হ্যাকও করতে পারে না। এখানকার সকল তথ্য গোপণীয় থাকে। অর্থ্যৎ যে পাঠাচ্ছে আর যে পাবে সে ছাড়া কেউ জানতে পারতে পারবে না এই কারেন্সী সম্পর্কে। 


আগামীতে ব্যবসায়ীক লেনদেন যেহেতু বাড়তেছে আর অনেক সময় দেখা যাচ্ছে লেনদেন করলে আমরা আমাদের তথ্যগুলো শেয়ার করছি সেক্ষেত্রে বিবেচনা করলে দেখা যাবে যে, আগামীতে গোপনীয় যত ধরনের লেনদেন হবে বা সিকিরিটির জন্য যত ধরনের লেনদেন হবে সবকিছুই হবে এই ক্রিপ্টোকারেন্সী দিয়ে বা বিটকয়েনের মাধ্যমে। তাই এটির ব্যবহার বাড়বে বলে ধারণা করা যায় অনায়াশেই। 



বি. দ্র. তথ্যগুলোই অনলাইনের বিভিন্ন ওয়েবসাইট উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে জানার জন্য। 

Leave a Comment