গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত ওয়েবসাইটের স্পিড কমে যাওয়ার কারণ

গুগল অ্যাডসেন্সস পাওয়ার পরে অনেকেই এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। অনেকেই মনে করেন গুগলের কোড বসানোর কারণে বা গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার কারণেই মূলত ওয়েবসাইটের বা ব্লগার সাইটের স্পিড কমে গিয়েছে। বিষয়টা আসলে তা নয়, গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত ওয়েবসাইটের স্পিড কমে যাওয়ার কারণ গুলো আমাদেরকে পুরোপুরি জানতে হবে।  আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা নিজের প্রশ্ন বা নিচের বিষয়গুলো জানতে পারবেন। যেমন, 

আমাদের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হলো ওয়েবসাইটের স্পিড কমে যাওয়া বা ওয়েবসাইটটা স্লো হয়ে যাওয়া। আসলে ওযেবসাইট যত বড় বা যত বেশি কনটেন্ট যুক্ত করা হয়ে থাকে আস্তে আস্তে এই ধরনের সমস্যাগুলো অনেক বেশি লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে এই ধরনের সমস্যাগুলো বিভিন্ন ধরনের প্লাগইন ব্যবহার করে তা ঠিক করে নেওয়া যায় অনেকটাই দ্রুততার সাথে। 


কিন্তু যারা ব্লগার সাইটে নিয়ে কাজ করেন েএবং ব্লগার সাইটে এই ধরনের সমস্যা পেয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু বোঝার ও সময়সাপেক্ষ্য। আসলে সরাসরি নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না যে, এই সমস্যার জন্য স্পিড কমে গেছে বা স্পিড পাচ্ছে না। তবে অনেকগুলো কারণ জড়িত স্পিড কমে যাওয়া বা ওয়েবসাইট স্লো হয়ে যাওয়ার জন্য। 





নিচে কিছু কারণ পয়েন্ট আকারে জানানোর চেষ্টা করা হলো। যেমন, 

(১) ইমেজ সাইট কম রাখা। যতটুকু কম রাখা যায়। তবে সর্বোচ্চ্য ৫০০ KB থেকে ৬০০ KB এর মধ্যেই রাখার চেষ্টা করা উচিত। কারণ ইমেজের কারণে লোড নিতে সমস্যা হয় অনেক সময়। 

(২) ওয়ার্ডপ্রেস সাইট হলো ভালো মানের কম্পানির হোস্টিং ব্যবহার করা। 

(৩) প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্লাগইন যুক্ত না করা। আপনার যে সকল প্লাগইন প্রয়োজন সেগুলো ছাড়া অতিরিক্ত আছে কিনা চেক করে নিবেন। অনেক সময় অতিরিক্ত প্লাগইনের কারণেও লোড হতে সমস্যা। 

(৪) থামবেল পিকচারটি কম সাইজের ও ছোট করে দেওয়া। 



(৫) সাইটের টাইটেলের সাথে ছবি যুক্ত করার অপশান যতটুকু সম্ভব কম রাখা। অর্থ্যৎ শুধু টাইটেল যুক্ত করা হয় এমন থিম ব্যবহার করার চেষ্টা করা। 

(৬) ব্লগারের থিম প্রিমিয়াম ব্যবহার করা। প্রয়োজনে যেন কাস্টোমাইজ করা যায়। কারণ ফ্রি থিমে প্রচুর পরিমাণে জাভাস্ক্রিপ্ট কোড যুক্ত থাকাতে সাইট স্লো হয়ে যায়। 

(৭) ওয়ার্ডপ্রেস সাইট হলে প্লাগইনসহ থিম অবশ্যই প্রিমিয়াম ব্যবহার করা। সাইট কেনার সময়টাতেও বিষয়টা খেয়াল রাখা উচিত সবার। 

(৮) কি ধরনের সাইট সেটার উপর নির্ভর করে থামবেল পিকচার কমযুক্ত থিম সিলেক্ট করার চেষ্টা করা। 

(৯) আর্টিকেলের মধ্যে পিকচার কম যুক্ত করা। যুক্ত করার ক্ষেত্রে সাইজ লক্ষ্য রাখা উচিত। 

(১০) অতিরিক্ত পিকচার না দেওয়া সাইটে। বিশেষ করে ফ্রন্ট পেজ বেশি পিকচার যুক্ত না রাখার চেষ্টা করা। 



Leave a Comment