গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড লিমিট ও Disable হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

আমার গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড লিমিট হয়েছে গিয়েছে এখন কি করা যায় ? আমার গুগল অ্যাডসেন্স ডিজএবল হয়ে গিয়েছে তার কারণ আমি জানতে চাই। কেন গুগল অ্যাডসেন্স লিমিট ও ডিজএবল হয় তা জানতে চাই ? গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড লিমিট ও Disable হওয়ার কারণ ও প্রতিকার নিয়েই আজকের আর্টিকেল। আশা করি গুগল অ্যাডসেন্স এর সকল তথ্য ও কেন ও কি কি কাজ করলে লিমিট হয় তা জানতে পারবেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি এখানে। 




গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড লিমিট ও Disable হওয়ার কারণ ও প্রতিকার




গুগল অ্যাডসেন্স লিমিট কেন হয় ? গুগল অ্যাডসেন্স থেকে মাসে কত আয় করা যায় ? গুগল অ্যাডসেন্স থেকে কিভাবে আয় বাড়ানো যায় ? গুগল অ্যাডসেন্স ডিজএবল হয় কেন ? এসব বিষয়গুলোও জানতে পারবেন আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে। আশা করি সাথেই থাকবেন। 










প্রথমেই জানবো কেন অ্যাডসেন্স লিমিট হয়। আমি পয়েন্ট আকারে কারণগুলো বলছি হয়তো ব্যাখ্যায় জাবো না । লিমিট হওয়ার কারণগুলো হলোঃ

(১) গুগল আপনার ট্রাফিক নিয়ে যদি সন্দেহ করে। যেমন, নিজে নিজে যদি অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর ভিজিট করেন তাহলে অ্যাডসেন্স লিমিট হতে পারে। 

(২) অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর যদি অরগানিক ট্রাফিক অনেক কম হয় বা না থাকে তাহলেও অ্যাডসেন্স লিমিট হয়ে যেতে পারে। 

(৩) Invalid ট্রাফিক যদি হয় তাহলেও অ্যাডসেন্স লিমিট হয়। সাধারণত নিজেই বেশি বেশি ভিজিট করা বা একই ডিভাইস থেকে বারবার ভিজিট করলে সেই ট্রাফিককে Invalid ট্রাফিক বলা হয়। 

(৪) CTR বেড়ে গেলে। সাধারণত ইনভ্যালিড ক্লিকের কারণে বেড়ে যায়। 

(৫) গুগল রোবট যদি আপনা সাইটে ইনভ্যালিড ক্লিক ধরে ফেলে তাহলেও অ্যাডসেন্স লিমিট হতে পারে। যেমন, আপনার ভিজিটর এর তুলনায় যদি ক্লিক বেড়ে যায় এমন ডিভাইস থেকে অ্যাড এ ক্লিক আসে যেটা থেকে শুধু ভিজিট করাই হয়েছে অ্যাডসেন্স এ ক্লিক করার জন্য। 






অ্যাডসেন্স লিমিট থেকে বেচে থাকার জন্য কি কি করণীয় হতে পারে তা এখন বলছি। নিচে পয়েন্টগুলো দেওয়া হলোঃ 

(১) অতিরিক্ত অ্যাড পোস্ট এ না বসানো অ্যাডসেন্স পাওয়ার প্রথম দিকে। 

(২) ওয়েবসাইটের লিংক বেশি শেয়ার না করা। 

(৩) একই ডিভাইস থেকে বারবার ভিজিট না করা। 

(৪) নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা। তাতে করে গুগল সাইটের গুরুত্বটা বুঝতে পারবে। 

(৫) অরগানিক ট্রাফিক বাড়ানো শেয়ার লিংক এর ট্রাফিক থেকে। 

(৬) CTR চেক করা এবং গুগল সার্চ কনসোল এর রিপোর্টগুলো থেকে ধারণা নিয়ে আর্টিকেল বা কনটেন্ট পাবলিশ করা ও অরগানিক ট্রাফিক বাড়ানোর চেষ্টা করা। 





এখন জানবো কেন আসলে আমাদের গুগল অ্যাডসেন্স ডিজিএবল হয়। কি করলে যে কোন সময় গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ডিজএবল হতে পারে তা জানার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো লক্ষ্য করুণ। যেমন, 

(১) জেনে রাখা ভালো যে, গুগল প্রথমেই আপনার একাউন্ট ডিজএবল করে দেবে না তবে একাধিক বার লিমিট হয়ে গেলে সেটি পরে আর লিমিট না করে ডিজিএবল করে দিতে পারে। 

(২) যে সমস্ত কারণে অ্যাড লিমিট হয় সে সকল কারণেই মূলত অ্যাডসেন্স ডিজএবল হয়ে যেতে পারে যদি অতিরিক্ত কারণগুলো হতে থাকে বারবার। 





গুগল অ্যাডসেন্স লিমিট হলে কি করবেন জেনে রাখুন। 

অ্যাডসেন্স লিমিট হলেও আপনার হাতেই সকল কিছু থাকবে মানে চেক করার বিষয়গুলো আপনি চেক করতে পারবেন। তাই প্যানিকড না হয়ে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন। অতিরিক্ত কোন কিছু করার কোন প্রয়োজন নেই লিমিট হওয়ার পর অপেক্ষা করুন আর জানার চেষ্টা করুন কেন লিমিট হয়েছে। 


(১) গুগল অ্যাডসেন্স পলিসিগুলো ভালো মতো পড়ে জানুন কি কারণে লিমিট হয়েছে। 

(২) অরগানিক ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন। 

(৩) ১৫-৩০ দিন কিছু ক্ষেত্রে বেশিও লাগতে পারে অপেক্ষা করুন। 

(৪) ইউনিক কনটেন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করুন। 

(৫) নিয়মিতই কনটেন্ট পাবলিশ করুন। 

(৬) ট্রাফিক মনিটর করে অরগানিক ট্রাফিক নিয়ে আসার চেষ্টা করুন তাতে দ্রুত লিমিট উঠে যাবে আশা করি। 






গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে আর জানতে হবে পুরো বিষয়টা। গুগল প্রতিদিনই ইউজারদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা করে দিচ্ছে। যেমন, ইউটিউবে কনটেন্ট কপি কিনা তা চেক করে নেওয়াটা কঠিন ছিল কিন্তু বর্তমানে ইউজারদের জন্য সেটি চেক করেই সেটি পাবলিশ করার সিস্টেম তৈরি করেছে যা সত্যিই অনেক প্রশংসার দাবি রাখে। সপ্টওয়্যার দিয়ে কাজটা করাও অনেক কঠিন যা গুগল ফ্রিতেই করে দিচ্ছে তার ইউজারদেরকে। তাই গুগলের কোন পলিসি না জানলে সেটি জেনে তারপর কাজ শুরু করুন। 






অনেক ধন্যবাদ মূল্যবান সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। আশা করি গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পেরেছেন এবং বিষয়গুলো আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। 

Leave a Comment