অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করবেন কিভাবে

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করবেন কিভাবে

Table of Contents

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমান সময়ের জন্য সবচেয়ে বড় অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যম। বর্তমান সময়ে এই সেক্টরটি অনেক বেশি অগ্রসর হচ্ছে। অনেকেই এখানে ক্যারিয়ার তৈরি করছে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
What is affiliate marketing. … তাহলে, সোজাভাবে বললে – “affiliate marketing এমন একটি মার্কেটিং এর মাধ্যম যেখানে আপনি যেকোনো অনলাইন প্রোডাক্ট বা জিনিস অন্যদের কেনার জন্য আগ্রহ করেন। এবং, আপনার প্রমোট করা প্রোডাক্টটি যখন কেও কিনে, তখন আপনাকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দেয়া হয়।

 

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রশ্ন 

বর্তমান সময়ে সকলেই অতিরিক্ত টাকা আয় করার জন্য নানা ধরনের কাজ করতে চায়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমনই একটি অনলাইন ভিত্তিক কাজ যেখানে আপনি নিয়মিত কাজ করে ভালো আয় করতে পারবেন। 

নিচের আমি ১০টি প্রশ্ন এবং সেগুলো উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে আয় করবেন সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

আরো পড়ুন >> Affiliate marketing কি? এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন।

 

১. প্রতি মাসে ৫০০-৬০০ ডলার আয় করার জন্য প্রতিদিন কি পরিমাণ ভিজিটর আসতে হবে ? 

উত্তরঃ৩০৪০ জন নিয়মিত ভিজিটর যদি গুগল সার্চ থেকে আসে তবে সম্ভব। তবে ফেক ট্রাফিক থেকে আসলে হবে। আসলে গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য গুগল থেকেই ভিজিটর আসতে হবে।

আর আপনার ওয়েবসাইটটি যদি Rank করে তবে অবশ্যই কম ভিজিটর দিয়েও আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। ভালো কনটেন্ট তৈরি করতে পারলে অনেক সময় আপনি অনেক দ্রুতই বেশি ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন।

আপওয়ার্ক ফাইবারে অনেকেই ট্রাফিক বিক্রি করে যেগুলো ভিজিটর নিয়ে আসে কিন্তু ফেইক ভিজিটর হিসেবে ধরা হয় কারণ গুগল সার্চ থেকে আসলে সেগুলোকে সঠিক বা অরজিনাল ভিজিটর হিসেবে ধরা হবে।

আর যারা সেল করে তারা গুগল থেকে আসে না আসে ফেইক আইডি বা লিংক শেয়ার কার মাধ্যমে আর সেজন্যই বেশি ভিজিটর আসলেও আয় কম হবে। তাই আপনি ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করুন যাতে করে আপনি নিয়মিত গুগল সার্চ থেকে ভিজিটর পান। 

 একটি ওয়েব সাইটের কনটেন্টগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর ভালো মানের কনটেন্টগুলো অনেকেই পড়ে যার ফলে ভিজিটর দ্রুত আসে। তাই এটা ভাববেন না যে বেশি ভিজিটর আসলেই বেশি আয় হবে।

ভিজিটরগুলো যদি গুগল থেকে আসে তবে অবশ্যই কম ভিজিটরেও আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। আশা করি উত্তরটা বুঝতে পেরেছেন

 

. কোন জিনিসটা সবচেয়ে লাভজনক

 উত্তরঃ- ডিজিটাল জিনিসগুলো সবচেয়ে বেশি লাভজনক। তাই অ্যাফিলেট মার্কেটিং করার সময় ডিজিটাল জিনিস নিয়ে করবেন তাহলে ভালো আয় করা বা বেশি কমিশান পাওয়া যায়। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট এর চাইতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট এর কমিশান বেশি। 

 দেখুন ফিজিক্যাল প্রডাক্ট এর ক্ষেত্রে ভাড়া বা দোকান বা প্যাকিং খরচ লাগে। আর অবশ্যই জেনে থাকবেন যে, ফিজিক্যাল প্রডাক্ট এর কমিশানটা কম দেওয়া হয় যেমন, আপনি ফিজিক্যাল ২০০ ডলারের প্রডাক্ট সেল করেছেন সেক্ষেত্রে আপনাকে তাদের খরচ বাদ দিয়ে যা হবে সেখান থেকে কমিশান দেবে।

আর আপনি যদি ডিজিটাল যেমন কোন থিম, বা কোন সপ্টওয়্যার এসব সেল করে বা কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট সেল করেন তবে আপনি অবশ্যই সম্পূর্ণ ডলারের কমিশান পাবেন।

তাই ডিজিটাল প্রডাক্ট এর অ্যাফিলেট মার্কেটিং করা সবচেয়ে বেশি লাভজনক। আপনার ওয়েব সাইটটি কোন ধরনের এর উপরেও অনেক সময় নির্ভর করে কোন ধরনের প্রডাক্ট এর মার্কেটিং করবেন তাই সেই ধরনের প্রডাক্ট এর মাধ্যমে আপনি অ্যাফিলেট মার্কেটিং করতে পারেন। 

 

 

 . স্পনসর কে কিভাবে চার্জ করবো

 উত্তরঃ- আপনার স্পনসর দ্বারা কত ডলার আয় হচ্ছে সেটা থেকে শতকরা করে চার্জ করবেন। ধরুন আপনি যদি অ্যাডসেন্স থেকে ১০০ ডলার আয় করেন তাহলে আপনি স্পনসর থেকে ১৫০ ডলার চার্জ করবেন সেই জায়গায় স্পনসর দেওয়ার জন্য।

আসলে স্পন্সর চার্জ করা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনি ইচ্ছে করলে অনেক বেশি চার্জ করতে পারেন আবার ইচ্ছে করলে অনেক কম চার্জ করতে পারেন।

তাই এটা নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। তবে আপনি যদি প্রফেশনাল ভাবে চার্জ করতে চান তবে আপনাকে কিছু জিনিস লক্ষ্য রাখতে হবে। 

 আপনি ধরুন হেডারে যদি গুগল Add থেকে ৫০ ডলার মাসে আয় করেন আর কোন প্রতিষ্টান যদি সেই জায়গাটা কিনতে চায় তবে আপনি অবশ্যই তাকে ৫০ ডলার থেকে বেশি চার্জ করবেন।

হতে পারে ১০০ ডলার বা ৭০ ডলার। কারণ আপনি যেহেতু গুগল থেকেই ৫০ ডলার পাচ্ছেন তাহলে এর চাইতে কম বা ৫০ ডলারে কেন তার মার্কেটিং করবেন। তাই সেই বিষয়টা আপনাকে অবশ্যই ভেবে দেখতে হবে। 

 

আরো পড়ুন >> অনলাইনে আয় করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর ধাপগুলো

 

 ৪. কত ওয়ার্ড এর কনটেন্ট হলে Ranking করবে ?

 উত্তরঃ- নির্দিষ্ট কোন ওয়ার্ড নেই তবে ২ হাজারের বেশি হলে ভালো হবে যদিও এত ওযার্ড লিখতে সময় লাগবে তারপরেও চেষ্টা করতে পারেন।

আসলে আপনার কনটেন্ট টি পুরোটা শেষ করতে হলে যতগুলো শব্দ লাগে সেটাই বেস্ট কারণ আপনি আজেবাজে লিখা দেওয়ার থেকে আপনার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু যদি দেন তবে আমার মনে হয় সেটাই ভালো হবে।

তবে হ্যা সাধারণত একটা হিসেবে করে আপনি বিষয়টা ভেবে দেখতে পারেন। যেমন, ধরুন আপনি ফেইসবুকে কিভাবে সেল করা যায় এটার উপর লিখবেন।

তাহলে আপনি এটা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখবেন যে, সেই আর্টিকেলটি কত ওয়ার্ড এর উপর। আপনি তার থেকে কিছু বেশি তার সমান লিখতে পারেন। 

 তবে যত বড় আর্টিকেল লিখবেন তাতে আপনারই ভালো কারণ পরে যখন আপনার সাইটি ভালো অবস্থানে যাবে তখন আপনি লিখার মাঝখানেও অ্যাড দিতে পারবেন আর সেখান থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে যদি বলা হয় যে, ২ হাজার থেকে ৫ হাজার শব্দ হলে সবচেয়ে ভালো হয়। তবে ২ হাজার মিনিমাম রাখা উচিত কমও হতে পারে সেটা কনটেন্ট এর উপর নির্ভর করবে। ভালো মানের কনটেন্ট হলে যত বড় করা যায় ততই ভালো। 

 

 ৫. একটি ব্লগ সাইট বানানোর কত খরচ পড়বে যেটাতে আমি অ্যাফিলেট করতে পারবো ?

 উত্তরঃ- এটার কোন নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ নেই তবে। তবে আপনি প্রথমে ১০-১২ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। এবং বিভিন্ন ইউটিউব লিংক থেকে দেখে ব্লগ সাইট বানাতে পারেন।

পরে আপনি বেশি টাকা দিয়ে কাজ করতে পারবেন। শুরুর দিকে যদি আপনি হোস্টিং ও ডোমেইন এবং যদি ব্লগ সাইট থেকে বা ওয়ার্ড প্রেস দিয়ে করেন তবে একটা থিম কিতে হবে।

আর একটা ভালো থিম হয়তো ৫০-৭০ ডলার নেবে আর হোস্টিং ৩০-৪০ ডলার পড়বে আর ডোমেইন ১-২ হাজার টাকার মত পড়বে। এসব হিসেবে করলে বলা যায় ১০-১২ হাজার টাকার মত খরচ পড়বে প্রথম দিকে। 

 শুরুতে আপনি চাইলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তথ্য নিয়ে যেমন ইউটিউব বা গুগল এসব থেকে জেনে নিজে নিজে সময় নিয়ে চেষ্টা করতে পারেন তাতে আপনি খরচটা কমাতে পারবেন আশা করি।

আপনি নিজে চেষ্টা করলে প্রথমে কম খরচে একটা ব্লগ সাইট তৈরি করে সময় নিয়ে সেটাকে আরও ভালো করতে পারবেন। 

  

 ৬. কোন জায়গায় অ্যাড দিলে ভারো আয় হয় ? 

 উত্তরঃ- প্রশ্ন ছিল ওনি ভালো ট্রাফিক আসলেও গুগল থেকে প্রতি মাসে ২০০-২৫০ ডলার পায়। কারণ টা জানার জন্য বলেছিল। আসলে টাইটেল এর নিচের অংশগুলোতে অ্যাড এর টাকা বেশি পাওয়া যায় তাই আপনি হেডার বা অন্য জায়গার অ্যাডগুলোকে সরিয়ে দেখতে পারেন।

আসলে সঠিক বলা কঠিন যে এই জায়গাতে Add দিলে বেশি আয় হবে তবে আপনি বিভিন্ন প্লাগইন ব্যবহার করে তা বারবার সরিয়ে চেক করে দেখতে পারেন। আামর মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ ট্রপিক বা সাইডে ও টাইটেল বারের নিচে অ্যাডগুলোতে আয় বেশি হয়। 

 কারণ বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় বিড করার সময় এই জায়গাগলোর চাহিদা থাকে বেশি বিভিন্ন কম্পানির। আর আপনি ইচ্ছে করলেই সেই জায়গাগুলো চেক করে দেখতে পারেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

কিছু কিছু ওয়েব সাইটের সাইডবারে অ্যাড দিলে অনেক বেশি ভিজিটর আসে সেক্ষেত্রে বেশি আয় করা সম্ভব হয়। আর ফ্রন্ট পেজের যে কোন জায়গাতেই দেওয়া ভালো।

সবচেয়ে গুরুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে যাতে ভিজিটর বেশি আসে আর বেশি আসে যেন গুগল সার্চ করে আর তার জন্য আপনাকে অবশ্যই SEO করে Rank করাতে হবে ওয়েব সাইটটি। 

 

 ৭. একটি ওয়েবসাইটে কয়টি কম্পানির প্রডাক্ট এর মার্কেটিং করতে পারবো ? 

 উত্তরঃ- নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই। ধরুন আপনার ব্যাক্তিগত একটা গাড়ি আছে সেটা আপনি চাইলে বাজারেও যেতে পারেন আবার চাইলে অফিসেও যেতে পারেন আবার যদি মনে করেন বিক্রিও করে দিতে পারেন।

আর সেরকমই একটা ওয়েবসাইট আপনার ব্যাক্তিগত সম্পদ তাই এই ওয়েবসাইটে আপনি কার কার বা কোন কোন কম্পানির অ্যাড দেবেন সেটা একান্তই আবার ব্যাক্তিগত বিষয়।

এক্ষেত্রে কোন নিয়ম নেই তবে। তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আপনাকে অবশ্যই যেই পণ্য সেই ধরনের সাইট কিনা চেক করে নেবেন। 

 ধরুন আপনার ওয়েবসাইটটি আইটি নিয়ে আর সেক্ষেত্রে আপনি সপ্টওয়্যার সেল যুক্ত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কমিশান বা প্রডাক্টটা বিক্রি হওয়ার সম্ভবনাটা অনেকটা বেশি থাকে। তবে আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে যে কোন ধরনেরই প্রডাক্ট এর অ্যাড দিতে পারেন।

  

 . প্রতিদিন কতগুলো Back links দেওয়া যাবে

 উত্তরঃ- আমার মনে হয় প্রতিদিন কতগুলো Back links দিবেন সেটা না ভেবে প্রতিদিন কতগুলো কনটেন্ট দিতে পারবেন সেটা নিয়ে ভাবা বা সময় ব্যায় করা উচিত। Back-links মূলত একটা ওযেবসাইটকে Rank করানোর জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে।

আর একদিনে বেশি Back links তৈরি করার থেকে সময় নিয়ে করা অনেক ভালো। আর অবশ্যই বড় কম্পানির ডোমেইন থেকে Back links তৈরি করবেন। আপনি চাইলে গুগলে সার্চ দিয়েও তৈরি করতে পারেন। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
What is affiliate marketing / অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং. তাহলে, সোজাভাবে বললে – “affiliate marketing এমন একটি মার্কেটিং এর মাধ্যম যেখানে আপনি যেকোনো অনলাইন প্রোডাক্ট বা জিনিস অন্যদের কেনার জন্য আগ্রহ করেন। এবং, আপনার প্রমোট করা প্রোডাক্টটি যখন কেও কিনে, তখন আপনাকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দেয়া হয়।

 

আরো পড়ুন >> অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে ? 

 

মনে রাখতে হবে Back links অবশ্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনার ওয়েবসাইটের জন্য তবে সেটা অবশ্যই অনেক ভালো মত হতে হবে।

জেনে বুঝে Back links তৈরি করতে হবে তাহলে ৫টার চাইতে ১টাই বেশি কার্যকর হবে। আর বেশি Back links করলেই যে সেটা ভালো হবে সেটা ভাবার কোন সুযোগ নেই কারণ Back links তৈরি সময় তার গুণগত বা ডোমেইনের ধরন দেখতে হবে।

আমার ব্যাক্তিগত মতামত হলো আপনি সুন্দর মত প্রতিদিন ১-৫টার মত করতে পারেন তবে ১-২টা করাই ভালো আর কি ধরনের ওয়েব সাইট সেটার উপর অনেক কার্যকর হয়ে থাকে Back links গুলো।

যেমন, ধরুন আপনি শিক্ষামূলক ওয়েব সাইট তৈরি করেছেন আর সেখানে আপনি সেই ধরনের ওয়েবসাইট থেকে যদি Back links তৈরি করে তবে সেটা অনেক বেশি কার্যকর হবে। 

  

. গুগল অ্যাডসেন্স আবেদন করার পর রিজেক্ট করেছে ? আমি আবার করতে পারবো কিনা ?

 উত্তরঃ- অনেক বার করতে পারেন সমস্যা নেই। আসলে কতবার করা যাবে এটার কোন নিদিষ্ট সংখ্যা নেই আপনি ১ম বার করার পর আপনাকে যদি রিজেক্ট করে।

তবে তার কারণ হিসেবে কি ছিল তা বলে দেবে আর আপনি পরের বার যখন আবেদন করবেন তখন অবশ্যই সেই কারণটা ঠিক করে করবেন তবেই গুগল অ্যাডসেন্স আপনাকে রিজেক্ট করবে না।

যদি আগের সমস্যা ঠিক না করে বারবার করতেই থাকেন তাহরে এক সময় দেখা যাবে যে, আপনার আবেদনটি আর গুগল নিচ্ছে না বা উত্তর দিচ্ছে না। তাই সেদিকটা সচেতন থেকে বারবার করতে পারেন। 

 সাধারণত কপিপেস্ট লিখা বা পিকচার যুক্ত ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হয় না তাই এই জিনিসগুলো আপনি আগে থেকেই ঠিক করে নেবেন।

মনে রাখবেন ১মে সকল কাজই কঠিন আর এই কঠিন কাজটা করার জন্য আপনাকে অনেকটা ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।

আর একটা সাইটে মিনিমাম ৩০টার বেশি পোস্ট এবং মোটামুটি ভালো ভিজিটর আসলেই আপনি অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। তার আগে করলে রিজেক্ট করে দেওয়ার সম্ভবনাটা অনেকটাই বেশি। 

 

Post Code = Nov 30 2021 10

 

 ১০. কনটেন্ট রাইটিং না পারলে কি ব্লগিং শুরু করতে পারবো কিনা ? 

 উত্তরঃ- কেউ কোন কিছু শিখে আসে না। তাই আপনিও চেষ্টা করুন এক সময় না এক সময় পারবেন। আমি একজন ওয়েব ডিজাইনার আর আমিও ভালো কনটেন্ট লিখতে পারতাম না তারপর আস্তে আস্তে ইউটিউব দেখে দেখে এক সময় অনেক ভালোমতই শিখে গেলাম।

তাই বলবো আপনিও চেষ্টা করুন অবশ্যই পারবেন এক সময় না এক সময়। আর চেষ্টা করুন বেশি বেশি বই পড়ার ও যেই ট্রপিক্স নিয়ে লিখবেন সেটাতে সময় দেওয়ার।

প্রতিদিন কমপক্ষে ১টি করেও যদি কনটেন্ট লিখেন তারপরেও দেখবেন যে বছর শেষে অনেকগুলো হয়ে গেছে। আর নির্দিষ্ট ট্রপিক্স সিলেক্ট করে অবশ্যই চেষ্টা করবেন তার উপর পড়াশোনা করে লিখালেখি করার তবে এক সময় আপনিও ভারো কনটেন্ট রাইটার হতে পারবেন। 

 আমাদের দেশে এখনও ভালো কনটেন্ট রাইটারের অনেক দাম। আর অনেকেই কম্পিউটার পারলেও এসব লিখার কাজ কম পারে বা বেশিভাগই পারে না।

আপনি বাংলায় যদি লিখেন তবে বাংলায় ট্রপিক্স সিলেক্ট করে লিখতে পারেন আর যদি ইংরেজীতে কনটেন্ট লিখতে চান তবে সেটার উপর কিছু পড়াশোনা করে লিখতে পারেন। 

 

পোস্ট কেমন লাগলো আর কি কি জানতে চান অবশ্যই জানাবেন কমেন্ট করে। আশা করি অনেক ভালো তথ্য পেয়েছেন। ধন্যবাদ মূল্যবান পোস্টটি পড়ার জন্য

 

Leave a Comment