অনলাইনে আয় করার জন্য পেইড কোর্স করার ৫টি সুবিধা জেনে রাখুন

অনলাইনে আয় করার জন্য পেইড কোর্স করার ৫টি সুবিধা জেনে রাখুন

অনলাইনে আয় করার জন্য হোক আর অফলাইনেই হোক যে কোন কাজের দক্ষতার জন্য আলাদা কিছু জিনিস কোর্স করেই শিখতে হয়। ফ্রিতে সব কিছু শেখা যায় না।
কোর্স তো আছেই নানা রকমের তবে পেইড কোর্স করার আছে আলাদা কিছু সুবিধা যা আপনাকে দক্ষ করে তুলবে। 
 
অনলাইনে আয় করার জন্য পেইড কোর্স করার ৫টি সুবিধা জেনে রাখুন

 

পেইড কোর্স কোনগুলোকে বলা হয় ?

সাধারণত আমরা টাকা দিয়ে যে সমস্ত কোর্সগুলো করে থাকি সেই সমস্ত কোর্সগুলোকে পেইড কোর্স বলা হয়ে থাকে। 
 
বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনের মাধ্যমেই পেইড কোর্সগুলো করানো হচ্ছে। আর এই কোর্স এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা লাভ করতে পারবেন। 
 
৫টি সুবিধা নিচে দেওয়া হলো। আসলে সুবিধার তো শেষ নেই তারপরেও কিছু সুবিধাগুলো নিচে আলোচনা করা হচ্ছে সবার বোঝার জন্য। 
 

১. নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন

পেইড কোর্স ছাড়া আপনি কোন গাইড লাইন পাবেন না। আর আপনাকে ফ্রিতে যেসব গাইড লাইন দেবে সেগুলো আপনার জন্য বেশি সুবিধা হবে না। 
 
একটা বিষয় হলো আপনি কোন বিষয়ে যখন দক্ষ হবেন তখন আপনি নিজেই সে বিষয়ে অনেক ভালো করতে পারবেন। 

>> বর্তমানে নতুন ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট দ্রুত Rank করার ৫টি উপায়

 

২. একটা ভালো গাইড লাইন পাওয়া যায়

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেই বিষয়টা সেটাই হলো এইটা। এখানে আপনি একটা ভালো গাইডলাইন পাবেন। ফ্রি কোর্স এর তো অভাব নেই তবে পেইড কোর্সগুলো আপনাকে ভালো একটি গাইড লাইন দেবে। 
 
ইউটিউবে বা অনেক ফেইসবুক গ্রুপে পেইড কোর্সসমূহের লিংক দিয়ে রাখা হয়। এসব লিংকগুলো আসলে বেশিরভাগই তাদের পাবলিসির জন্য দিয়ে রাখে। 
 
সবগুলো লিংক বলবো না তবে বেশির ভাগই পাবলিসিটি বা ভিজিটর বাড়ানোর জন্য দিয়ে রাখা হয়। আর এসব লিংক থেকে যতটুকু শেখা যায় তা হলো আগ্রহ তৈরি করা যায়। পুরোপুরি শেখা যায় না। 
 

৩. অনলাইনের মাধ্যমে আয় করা

আসলে কোর্স করানো হলেই যে টাকা আয় করতে পারবেন বিষয়টা কিন্তু তেমন নয়। কারণ কোন কোর্স করানোর পর আপনি যদি সেভাবে কাজ না করেন তাহলে ভালো আয় করতে পারবেন না। 
 
আমি আগ্রহ তৈরি করার জন্য বা বোঝার জন্য একটা বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করছি। যেমন, আপনি যদি গুগল অ্যাডসেন্স এর কোর্স করান। তাহলে আপনি প্রতি মাসে যদি ৩-৪টা সাইট রেডি করতে পারেন। 
 
সেক্ষেত্রে আপনি ৩টা সাইট থেকে অনায়াসে ১৫ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। এটা আসলে অন্যন্ত সহজেই পারবেন। আর আরও বেশি আয় করার জন্য আপনার নিজেই চেষ্টা করতে হবে। 
 

৪. কোর্স শেষে একটা টিমের সাথে কাজ করা 

কোর্স সাধারণত যাদের মাধ্যমে করা হয় বা যাদের সাথে করা হয় তাদের সাথে একটা বন্ধন তৈরি করা হয়। এখানে আপনি কোর্স শেষ করার পরেও তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। 
 
যেমন ধরুন আপনি যখন কোর্স করবেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি একটা গ্রুপ বা একসাথে ১০-৫০ জনের মত কোর্স করবেন। আর তাদেরকে নিয়ে একটা আলাদা সিক্রেট গ্রুপ তৈরি করা হবে। 
 
সেই গ্রুপটা অবশ্য কোর্স শেষ করেও রান করা হবে। সেক্ষেত্রে আপনি কোর্স শেষ করার সাথে সাথে একটা টিমের মত বা ব্যাচের মত জায়গা পাচ্ছেন। 
 
আর পরে কোন সমস্যা হলে তো অবশ্যই আপনি সাপোর্ট পাবেন। এবং এই সার্পোটটা আপনি অনেক দিন পর্যন্ত পেতে পারবেন। 
 

৫. বিশ্বস্ত একটা সার্কেল তৈরি করা 

আপনি যখন কোন কোর্স করবেন তখন একটা ভালো সার্কেল তৈরি হবে আপনার। এই সার্কেলটার মাধ্যমে আপনি পরে অন্যন্যা কাজগুলো অনেক সহজেই করে নিতে পারবেন। 
 
ধরুন আপনি ইউটিউবের মাধ্যমে কিভাবে আয় করা যায় এসব নিয়ে একটা কোর্স করেছেন। কিন্তু পরে দেখলেন যে, আপনি ইউটিউবের মাধ্যমে ভালো আয় করতে পারছেন না। তাহলে আপনি অন্য কাজ করার ক্ষেত্র সেই গ্রুপের মেম্বারদের থেকে সহযোগীতা নিতে পারবেন।
 
যেটা আপনাকে একটা বিশ্বস্ত মাধ্যম তৈরি করাতে পারবে। আসলে আপনি যখন নিজে নিজে কোন কিছু শিখতে যাবেন আপনি এই ধরনের মাধ্যম পাবেন না। আর এই মাধ্যমগুলো পাওয়া অনলাইনে দীর্ঘ দিন কাজ করার জন্য অনেক জরুরী। 
 
উপরে আমি ৫টি পেইড কোর্স এর সুবিধা বলার চেষ্টা করেছি। আশা করবো এই কোর্সটা করানোর মাধ্যমে আপনি অবশ্যই একটা সমাধান পাবেন। এবং অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে আয় করা যায় সে বিষয়ে পরিপূর্ণ একটা জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। 

1 thought on “অনলাইনে আয় করার জন্য পেইড কোর্স করার ৫টি সুবিধা জেনে রাখুন”

Leave a Comment