২০২১ সালে সফল হতে হলে সফলদের কি ফলো করতে হবে জেনে নিন

আমরা সফল হতে সবাই চায় আর সফল হতে হলে যা যা করতে হবে তা সবাই করার চেষ্টা করি। কিছুদিন আগের একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি। একটা মেয়েকে চিনতাম যিনি একটু প্রতিবন্ধি ছিল। একটা কথা প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে যে, যার কোন অঙ্গ সমস্যা বা পাঁচ ইন্দ্রিয় শক্তির মধ্যে যে কোন একটাতে যদি কারো সমস্যা থাকে তাহলে সৃষ্টিকর্তা তাকে আলাদা কিছু গুনাগুন দেন যেটা অন্যদের থাকে না। কারণ তার সেই গুনের জন্য তাকে সবাই পছন্দ করবে এবং তার প্রতি সবাই আগ্রহী হবে। সেই মেয়েটাকে পরিবারের সবাই অবজ্ঞা করতো। বিশেষ করে তার মা তাকে বরাবরই বলতো কেন জন্ম নিয়েছে, কেন বেচে আছে, কবে মারা যাবে আরও অনেক কথা। যে কোন কাজ করার আগেই ধরে নেওয়া হতো সে পারবে না। এমন কি সে স্কুলে পর্যন্ত যেতো না কারণ সবাই তাকে নিয়ে ঠাট্টা করতো। আর এই বিষয়টা যেন বেশি কষ্টকর না হয় সেজন্য তার বাবাও তাকে বাসাতেই পড়াশোনা করতে বলতো। মজার ব্যপারটা কি জানেন, সেই মেয়েটি বাসায় পড়েই প্রতিবারই পরীক্ষায় ১ম হতো। অনেক আশ্চর্য হলেও এটাই সত্য। মেয়েটা বাসায় অনেক কথা শুনতে তারপরেও সে অনেক মেধাবী ছিল। তার এই মেধার জন্য সে একটা সময় অনেক ভালো পজিশানে চলে গেলো এমনকি ভালো একটা ছেলে তার এই গুনের জন্য তাকে বিয়ের জন্যও বললো। সৃষ্টিকর্তাকে কাউকে ঠকান না এর এটা তিনি অনেক সুন্দরভাবেই করে থাকেন। 

২০২১ সালে সফল হতে হলে

আমরা কখনও যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তবে দেখে থাকবো আমরা সবাই কোন না কোন সমস্যার মধ্যে লিপ্ত আর আমাদের সবারই কোন না কোন গুন অনেক ভালো যেটার কারণে আমরা সবার কাছে না হলেও অনেকের কাছেই অনেক প্রিয় পাত্র। আমার আমার পরিচিত একজন মেয়ে ছিল যেই মেয়েটা দেখতে একটু শর্ট ছিল অথচ সে এখন একটা সরকারী চাকরী করে। এরকম হাজারো উদাহারণ আছে যাদেরকে আমরা অবজ্ঞা করি তারা ব্যাক্তি জীবনে অনেক ভালো কিছু গুনের অধিকারী। আর এই গুনগুলোর কারণেই আমরা তাদেরকে অনেক পছন্দ করি এক সময় না এক সময়। তাই পৃথিবীতে কাউকেই ছোট করে দেখার কিছু নেই সবাই কেই বড় এবং অনেক ভালো মানুষ হিসেবে মনে করতে হবে। কারণ কার মধ্যে কোন গুণ আছে সেটা আমরা কেউ জানি না। আমরা তো আমাদের ভালো থাকা আর সুখ বলতে অর্থটাকেই বুঝে থাকি তাই যার অর্থ নেই তাকেই ব্যর্থ হিসেবে ধরে নিয়ে থাকি। আসলে সফলতার সংগাটাও আমরা পুরোপুরি জানি না। তারপরেও যারা সফল আর যারা ব্যর্থ উভয়ই আমাদের জন্য শেখার কেন্দ্র বিন্দু। আমরা অনেক সময় শুধু সফলদের গল্প শুনি তাও সেটা তাদের সফলতার কিন্তু তাদের যে সকল কাজ ব্যর্থ হয়েছে তা কখনও শুনতে চায় না বা শুনিও না। আমাদের বর্তমান মিডিয়াগুলো সব সময় সফল মানুষের এত গুণ এসব দিয়ে দিয়ে আমাদেরকে বোকা বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। 


আমরা অনেকেই জানি না সফল ব্যাক্তিদের আসলে কোন গুনগুলো আমাদের ফলো করা উচিত। বর্তমান ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকার বাগ এর কথা যদি আমরা বলি মিডিয়া জগতে ফেইসবুক তৈরি করার বেশ কয়েক বছর পর তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিলেন কিন্তু যখন তিনি ফেইসবুক তৈরি করেন বা তার বেশ কযেক বছর তার নাম কিন্তু আমরা কেউ জানতামই না। এমনকি আমার মনে আছে আমাদের দেশের ২০০৮ সালের বা ২০১২ সালের আগে এতটা জনপ্রিয় ছিল কিনা তা আমরা অনেকেই জানতাম না। কিন্তু বর্তমানে ফেইসবুকে একাউন্ট নেই এমন ব্যাক্তি পাওয়া যাবে না। করোনা মহামারির সময়টাতে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা সবাই ফেইসবুকের মাধ্যমে পড়াশোনার কাজ চালিয়েছে এর আসল কারণ হলো অনেক সহজ যোগা্যোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় এই ফেইসবুক নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটাকে। এখন তার বিভিন্ন গুন এমন কি সে কিভাবে ঘুমায় সে কত সময় কাজ করে বা কত সময় বেড়ানোর কাজে ব্যবহার করে এসব নানা বিষয় আমরা ফলো করার জন্য চেষ্টা করি। আসলে আমাদের উচিত ছিল তার সেই সময়টার তথ্য জানা যখন তিনি ফেইসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

তিনি যেই সময়টাকে ফেইসবুক তৈরি করেছিলেন তখন তিনি একটানা ৪৮ ঘন্টা বা ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত কম্পিউটারের সামনে বসে বসে কোডিং করেছিলেন এবং তিনি সেই সময়টাতে একটা পোশাকই বারবার পরতেন এটা ভেবে যে, প্রতিদিন তার পোশাক পরিবর্তন করার জন্য চিন্তা করতে হবে না আর তিনি এই সময়টা তার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। আসলে আমরা অনেকেই তার সফলতার পেছনের গল্পগুলো জানি না বা বুঝতে চায় না। অনেক বলে থাকে সফল মানুষেরা তো সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে তো আপনাকেও সকাল ৬টায় উঠতে হবে। এটা আসলে ভুল ধারণা আমরা আসলে কেউ ই সঠিক জানি না সফল হতে গেলে কি করতে হবে তবে হ্যা সফল হতে গেলে এই নিয়ম বা কোন কিছুই তাকে সেই কাজের ধারা থেকে দুরে নিতে পারবে না এটা আমরা সহজেই বুঝতে পারি। মার্ক জাকার বাগ যখন ফেইসুক নিয়ে কাজ করতেছিলেন তখন তিনি তার বেশিভাগ সময়ের অংশটাই এই কাজের জন্য ব্যায় করতেন। তিনি যেখানেই যেতেন না কেন তার মধ্যে এই বিষয়টা বা সমস্যাটা নিয়ে ভাবতেন। আর এই বিষয়টাই একটা সময় তাকে সফলতার দারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। দেখুন তো ফেইসবুক তৈরি হয় ২০০৪ সালে কিন্তু আমরা ফেইসবুককে চিনি কত সাল থেকে ? আমার তো মনে হয় ফেইসবুক শুরুর ৪-৫ বছর তেমন কোন সফলতা পায় নাই তারও অনেক পরে এসে আস্তে আস্তে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে আর যার আজকের অবদানটাই হলোই এই বর্তমান ফেইসবুক। 

এখন আসুন আমরা সবাই জেনে নিই সফল হতে গলে কোন ধরনের গুনগুলো আমাদের অনুসরণ করতে হবে যেটা সফল যারা হয়েছেন তারা শুরুর দিকে করতেন বা সেই কাজের সময়ের কিছু ‍গুনাগুন। আসলে সফলতা আসার পর সবাই আপনার বর্তমান নিয়ে কাজ করতে চাইবে না বর্তমানটাই শুনবে কিন্তু সফলতার জন্য কতটুকু আর কিভাবে পরিশ্রম করতে হবে সেটা কেউ জানতে বা শুনতে চাইবে না কারণ সেই সময়টার গল্পটা বর্তমানের মত নয়। যাইহোক কিছু গুন যা অনেক মিডিয়া প্রচার করলেও তা আমাদের সামনে আসে নাই আজকে আমি আমার এই আর্টিকেলটিতে সেই সকল গুনগুলো নিয়েই আলোচনা করবো। 


সঠিক পরিকল্পনা করার উপায়গুলো জেনে নিন


ইলন মাস্ক বা Elon Musk এর বিজনেস আইডিয়াগুলো জেনে রাখুন


২০২৫ সালে চাকরীর জন্য যেসব দক্ষতা প্রয়োজন হবে।

১. সফল হতে গেলে লেগে থাকতে হবে 

সফলতার জন্য প্রথম শর্তটাই হলো লেগে থাকতে জানতে হবে বা লেগে থাকতে হবে। একটা গবেষণায় দেখা গেছে আমরা কোন কাজ শুরু করার ৬ মাসের মধ্যে ৫০% মানুষ তা ছেড়ে দেয় আর ২-৩ বছর পর আরও ৩০% মানুষ ছেড়ে দেয়। আর কয়েক বছর গেলে বা ৫-৬ বছর পর আরও ১০% মানুষ তা ছেড়ে দেয় তারপরেও যারা বাকি থাকে তাদের মধ্য থেকে ৫% এর মত ব্যাক্তি সফল হয়। অর্থ্যৎ একটা কম্পানি প্রতিষ্ঠা করেই যে আপনি সফলতা পাবেন বিষয়টা তেমন নয়। ফেইসবুক যদি তার ৪-৫ বছর পর লাভ হচ্ছে না ভেবে বন্ধ করে দিতো তবে আজকের অবস্থানে আসতো না যেখানে তার প্রতি সেকেন্ডে আয় হয়। আর কোন বিজনেস বা কম্পানির তার প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পার হলে সেটা থেকে লাভ আসা শুরু করে। বড় বড় প্রতিষ্টান শুরুর সাথে সাথেই লাভ করতে পারে না তার জন্য অনেকটা সময় নিতে হয় আর সেই ধৈর্য্য বা সেই কম্পানির সাথেই লেগে থাকতে হয়।

 

সফলতার জন্য প্রথম শর্তটাই হলো লেগে থাকতে

২. নিজের কাছে সহজ নিয়মটাকেই নিয়ম মনে করতে হবে 

আপনি একটা নতুন বিজনেস আইডিয়া তৈরি করেছেন আর সেটার জন্য আপনাকেই কর্মপরিকল্পনা করতে হবে। আপনি যেভাবে কর্মপরিকল্পনা করবেন সেরকমভাবে কেউ করতে পারবে না কারণ আপনি সবকিছু জানেন সেই বিষয়টার। তাই আপনি নিজে যেরকম ভাবে নিয়ম তৈরি করবেন সেরকম ভাবেই কাজ শুরু করবেন। তার জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় আপনার জন্য নয় কারণ আমরা কোন নিয়মের মধ্যে থেকে কোন সফল কাজ হয় এরকম কোন উদাহারণ দেখতে পাই না। পড়াশোনার করার জন্য যেমন কোন নিয়ম নেই তেমনি কোন নিয়ম নেই আপনি আপনার কাজ করবেন সেটা নিয়ে। আপনি আপনার কাজটা কতটা সহজে করতে পারবেন সেটা আপনি নিজেই জানেন আর সেই অনুসারেই আপনি আপনার কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবেন। 



Proper Planning1


৩. কাজের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দটাকেই মূল্যায়ন করতে জানতে হবে 

উপরে যেহেুত আমি একটা উদাহারন দিয়ে এসেছি সেটা হলো ফেইসবুকের প্রতিষ্টাতা এখনও সেইটা থেকেই উদাহারন দিলে ভারো বোধ্যগম্য হবে মনে হয়। মার্ক জাকার বাগ যখন ফেইসবুকের কোডিং করতেছিলেন বা ফেইসবুক নিয়ে কাজ করছিলেন তখন তিনি একটা পোশাকই প্রতিদিন পরতেন তার অন্যতম কারন ছিল তিনি সময় বাচানোর জন্য চেষ্টা করতেন। কারণ অনেক প্রতিদিন নতুন নতুন পোশাক নির্বাচন করে পরা এসব তার কাছে সময়ের অপচয় হিসেবে মনে হতো। অথচ ফেইসবুক যখন প্রতিষ্টিত একটি কম্পানিতে পরিণত হলো তখন তিনি প্রতিদিন নতুন নতুন পোশাক পরেছেন বা অনেক সময় তিনি একাধারে বেশ কয়েকদিন একই পোশাক পরেছেন তার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, সময় বাচানোর জন্য তিনি এই কাজটি করতেন বেশিভাগ সময়। আমি এই বিষয়টাকে একটা বড় উদাহারণ হিসেবে দেখি কারন আপনি আপনার সুবিধামত কাজ করবেন আর তার জন্য কখনও আপনি একটানা ১০ ঘন্টা বা কখনও কখনও ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত কাজও যদি করতে হয় আপনাকে তবে সেটাও করবেন। আপনার কাজের জন্য কোন বিষয়গুলো সুবিধা সেটা আপনাকেই নির্বাচন করতে হবে আর সেই অনুসারে আপনাকেই কাজ করতে হবে তাই নিজের কাজের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দটাকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন সব সময়। 



Time management


৪. সময় সম্পর্কে সঠিক বা ভালো ধারণা থাকতে হবে 

অনেক সময় আমরা দেখে থাকি যে, আমরা যদি নিজের জন্য কোন কাজ করি তবে সেটার কোন ডেড লাইন আমরা ঠিক করি না। যেটা অনেক ক্ষতিকর আমার কাছে। কারণ ডেড লাইন ছাড়া আমরা কোন কাজের সঠিক সময় নির্ধারন করতে পারি না। পৃথিবীর প্রত্যেকটা কাজেই যারা সফল হয়েছেন তারা সময় সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতেন এবং তারা সময়টাকে একটা নির্দিষ্ট ভাবে ব্যবহার করার পদ্ধতি বের করতেন। আমাদেরও সেই কাজটাই করা উচিত যদি আমরা কোন কাজে সফলত হতে চায় তাহলে। অনেক সময় কেউ কোন কাজ দিলে সেটা একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা করে থাকি আর নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে একটু অলসতা করি আসলে এই বিষয়টা অনেক সময় আমাদের কাজের ক্ষেত্রে ক্ষতির কারন হয়ে যায়। তাই নিজের কাজের ক্ষেত্রেও আমরা একটা সময় নির্ধারন করে নেওয়ার চেষ্টা করবো। 



সময় সম্পর্কে সঠিক বা ভালো ধারণা থাকতে হবে

৫. ভবিষ্যতের কথা ভেবে কাজ করতে হবে 

আপনি যদি এখন কোন একটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেন বা কোন একটা কম্পানি নিয়ে কাজ শুরু করেন তবে আপনাকে অবশ্যই একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এই কাজটা সামনের দিকে কেমন চলবে আর সেই অনুসারে আপনাকে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অর্থ্যৎ আপনি ভবিষ্যতের কথা ভেবে যদি কাজ শুরু না করেন তবে আপনি কখনই সেই কাজে সফলতা পাবেন না আর এই কারনেই আপনি যখনই নতুন প্রজেক্ট নিয়ে ভাববেন সেটার ফল যেই সময়টাতে আসবে সেই সময়টাতে এটার চাহিদা কেমন থাকবে এসব নানা বিষয়ে আপনি আগে থেকে ভেবে রাখবেন এতে করে আপনার কাজে সফল হওয়াটা অনেকাংশ এগিয়ে থাকবে। আমরা আসলে অনেক সময় অন্যদের প্লানকে চুরি করে কাজ করা শুরু করি এবং সেটার কোন ভবিষ্যত না ভেবেই ইনভেস্ট করি আর কিছুদিন পর যখন বুঝি তখন সেটা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করি যেটা ব্যর্থ প্রজেক্ট হিসেবে বা কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয় আর এই ব্যর্থতার কারণ আমরা নিজেরাই বা নিজেই। তাই কোন কাজ করার আগে সেটার সামনের বিষয়গুলো আগে জেনে নেবেন। 


Future Plan1

আমি উপরে যেই নিয়মগুলো বললাম এটা আসলে যারা সফল তারা তাদের কাজের শুরুর দিকে করতেন আর আমরা যারা সফল তাদের শেষের দিকে কাজটাকে বশি মুল্যায়ন করে থাকি। অর্থ্যৎ সফল ব্যাক্তিদের সফলতা আসার পরের দিকের সময়টাকে বেশি হিসেব করে থাকি। আমাদের উচিত হবে সফল ব্যাক্তিদের সফলতা হওয়ার পেছনের গল্পগুলো অনুসরণ করা শেষের গল্পগুলো নয়। তাহলেই আমরা আমাদের গোল নির্ধারণ করতে পারবো আর সেই অনুসারে কাজ করলে কাজেও সফলতা পাবো। আমি উপরে বাইরের দেশের একজন সফল ব্যাক্তির উদাহারণ দিয়েছি যদি আমাদের দেশেও অনেক সফল মানুষ আছেন যাদেরকে আমরা অনুসরণ করতে পারি। আর তাদের সফলতার পেছনের গল্পগুলো আমরা জেনে কাজ শুরু করতে পারি। আমাদের দেশের পরিবেশে সফলতা আসার জন্য অনেকটা পরিশ্রম করতে হবে কারণ বাইরের দেশের পরিবেশ অনুকুল তারা নতুন কোন কিছু তৈরি করলে সেটা অনেক সহজেই গ্রহণ করতো আর আমাদের দেশের মানুষ কোন কিছু শুরু করলে সেটা এতটা সহজে মেনে নেওয়া বা এতটা সহজে সেটাকে গ্রহণ করা হয় না। 

আমাদের দেশের যারা সফল তাদের কাছে গিযে যদি তাদের সফলতার পেছনের গল্পগুলো আমরা শুনি তবে বুঝতে পারবো তাদের এই সফলতার পেছনে অনেক গল্প আছে যেটা ব্যর্থতার চাইতে ভয়াবহ। তাদের অনেক গুলো কাজের মধ্যে থেকে যেটা সফল সেটা আমরা হয়তো আজকে চিনি আর বাকি যেগুলো সফল হয় নাই সেগুলো আমরা মনেও রাখি না বা রাখি নাই। আসলে পৃথিবীতে সকল কাজই সমান আর সকল পেশার মানুষই দামী। আমাদেরকে প্রতিটা কাজকেই সমান ভাবে দেখতে হবে এবং কর্মপরিকল্পনার করার ক্ষেত্রে সব সময় সফলতার পেছনের দিনগুলোকে মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। কারণ সফল হওয়ার পরের জীবন আর সফল হওয়ার পেছনে বা সফল হওয়ার সময়কার জীবন অনেক পার্থক্য থাকে। আমাদের উচিত পরিশ্রমের সময়টার দিনগুলো জেনে সেই অনুসারে কাজ করে যাওয়া। 


ভবিষ্যতে চাকরীর জন্য যেসব দক্ষতা প্রয়োজন হবে  


Leave a Comment